ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

আসামি জামিনে এসে ফের হামলার অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

নাঈম ইসলাম কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / ২১ বার পঠিত

হত্যা মামলার এক আসামি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

বুধবার (৩জুন) বিকালে কটিয়াদী মডেল প্রেস ক্লাবে  সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি কারাগার থেকে জামিনে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি ও তার সহযোগীরা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, হামলার ঘটনায় নারীসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তারা ময়মনসিংহ মেডিক্যালো চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্বজনরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ভুক্তভোগী নিহত এ.কে বাশার রতন ও আহত বাচ্চু মিয়ার ছোট ভাই মাহফুজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪সালে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত এ.কে. বাশার রতন হত্যার ১নং আসামী সবুজ, ২নং আসামী  বায়েজিদ, ৩নং আসামি ফয়সাল, ৪নং আসামী দুর্জয়, ৫নং আসামী বাবু, ০৬নং আসামী এলাছ, ৭নং আসামী রমিজ, ৮নং আসামী সুজন গং সহ হাই কোর্ট থেকে আমিনে বেড়িয়ে খুনের মামলা তোলার জন্য চাপ দেয় এবং না মানাই (২জুন) ২০২৬ মঙ্গলবার নিহত এ.কে বাশার রতনের আপন বড় ভাই ভিদ্দিকুর রহমান বাচ্চু শশুর বাড়ী থেকে বাড়ী যাওয়া পথে (সেন্টুর বাড়ীর সামনে) ১৫ থেকে ২০জন, দাও, কুড়াল, চাপাতি দিয়ে এলোপাতারি ভাবে হামলা করে। চিৎকার শুনে বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী ও ভাগনির এগিয়ে তাদের উপরও  হামলা করে। এতে বাচ্চু মিয়া গুরুতর আহত হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল প্রেরন করা হয় আর বাকিদের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এখন আমরা চাই আসামীদের অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

আসামি জামিনে এসে ফের হামলার অভিযোগ, পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:০৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

হত্যা মামলার এক আসামি জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর পুনরায় হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

বুধবার (৩জুন) বিকালে কটিয়াদী মডেল প্রেস ক্লাবে  সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি কারাগার থেকে জামিনে বের হওয়ার পর থেকেই তাদের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। সম্প্রতি তিনি ও তার সহযোগীরা পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, হামলার ঘটনায় নারীসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তারা ময়মনসিংহ মেডিক্যালো চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত স্বজনরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ভুক্তভোগী নিহত এ.কে বাশার রতন ও আহত বাচ্চু মিয়ার ছোট ভাই মাহফুজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪সালে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত এ.কে. বাশার রতন হত্যার ১নং আসামী সবুজ, ২নং আসামী  বায়েজিদ, ৩নং আসামি ফয়সাল, ৪নং আসামী দুর্জয়, ৫নং আসামী বাবু, ০৬নং আসামী এলাছ, ৭নং আসামী রমিজ, ৮নং আসামী সুজন গং সহ হাই কোর্ট থেকে আমিনে বেড়িয়ে খুনের মামলা তোলার জন্য চাপ দেয় এবং না মানাই (২জুন) ২০২৬ মঙ্গলবার নিহত এ.কে বাশার রতনের আপন বড় ভাই ভিদ্দিকুর রহমান বাচ্চু শশুর বাড়ী থেকে বাড়ী যাওয়া পথে (সেন্টুর বাড়ীর সামনে) ১৫ থেকে ২০জন, দাও, কুড়াল, চাপাতি দিয়ে এলোপাতারি ভাবে হামলা করে। চিৎকার শুনে বাচ্চু মিয়ার স্ত্রী ও ভাগনির এগিয়ে তাদের উপরও  হামলা করে। এতে বাচ্চু মিয়া গুরুতর আহত হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল প্রেরন করা হয় আর বাকিদের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এখন আমরা চাই আসামীদের অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।