শেখ রিফান আহমেদ : বিশ্বজুড়ে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ আজও শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি। ধর্ম, জাতি কিংবা মতাদর্শের অপব্যাখ্যা করে সহিংসতার পথ বেছে নেওয়া ব্যক্তি বা গোষ্ঠী শুধু একটি দেশের নিরাপত্তাই নয়, মানবসভ্যতার মৌলিক মূল্যবোধকেও আঘাত করে।
বাংলাদেশ অতীতেও উগ্রবাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছে। রাষ্ট্র, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সেই পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই। প্রযুক্তির বিকাশের ফলে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচারণা চালানোর প্রবণতা বেড়েছে।
উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ। তরুণদের মধ্যে সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ এবং যুক্তিবাদী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে।
ধর্ম কখনো সহিংসতার শিক্ষা দেয় না। প্রতিটি ধর্মই মানবতা, সহমর্মিতা ও শান্তির বার্তা বহন করে। তাই ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতা জোরদার করা সময়ের দাবি।
একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য আরও সুদৃঢ় করতে হবে। কারণ উন্নয়নের পূর্বশর্তই হলো শান্তি ও স্থিতিশীলতা।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 
























