শেখ রিফান আহমেদ : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) আজ বিশ্বের অর্থনীতি, শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্প এবং গণমাধ্যমসহ প্রায় সব খাতেই নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। একই সঙ্গে এটি কর্মসংস্থানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্নও তৈরি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে অনেক প্রচলিত পেশা প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে। কিছু কাজ বিলুপ্ত হবে, আবার নতুন ধরনের অসংখ্য পেশার সৃষ্টি হবে। ফলে শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই চলবে না; প্রয়োজন হবে নতুন দক্ষতা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান এবং সৃজনশীল চিন্তাশক্তি।
বাংলাদেশের জন্য এটি যেমন চ্যালেঞ্জ, তেমনি বড় সুযোগও। দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীকে যদি এআই, প্রোগ্রামিং, ডেটা অ্যানালিটিক্স, সাইবার নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করা যায়, তাহলে বৈশ্বিক কর্মবাজারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে।
তবে প্রযুক্তির ব্যবহার অবশ্যই নৈতিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা, ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ এবং প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতিমালা প্রয়োজন।
প্রযুক্তিকে ভয় নয়, বরং দক্ষতার সঙ্গে গ্রহণ করাই হবে ভবিষ্যতের সফলতার চাবিকাঠি। সময়ের সঙ্গে নিজেকে বদলাতে পারলেই বাংলাদেশ চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সুযোগকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবে।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 

























