ঢাকা, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান, প্রসবের পরপরই শালদুধ খাওয়ানোর ওপর জোর

কোলের শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  • Mrinal chowdhury saykat
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: কোলের শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, জন্মের পর প্রথম কয়েক মাস শিশুর প্রধান পুষ্টির উৎস হওয়া উচিত মায়ের দুধ এবং প্রসবের পরপরই শালদুধ খাওয়ানো অত্যন্ত জরুরি।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ তায়ালা মায়ের দুধকে শিশুর জন্য সর্বোত্তম পুষ্টি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। অথচ বর্তমানে সিজারিয়ানের হার বৃদ্ধি ও সচেতনতার অভাবে অনেক শিশু শালদুধ ও মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি কোরআনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নির্দেশনার আলোকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধ পান করানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক মা নিজের অপুষ্টির অজুহাতে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখেন, যা একেবারেই অনুচিত। অল্প বয়সে বিয়ে, অসচেতনতা এবং মাতৃদুগ্ধ পান না করানোর কারণে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছর জেলা পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে। সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করে মাতৃদুগ্ধপানের গুরুত্ব জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এতে শিশু মৃত্যুহার কমবে এবং সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

শিশুখাদ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প খাদ্য নিয়ন্ত্রণে আইন রয়েছে। বাজারের সংরক্ষিত গুঁড়ো দুধের পরিবর্তে ছয় মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য ঘরে তৈরি সুষম খাবার, যেমন চাল, ডাল, আলু ও শাকসবজি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি বেশি উপযোগী।

মায়েদের উদ্দেশে আবেগঘন আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া মাতৃদুগ্ধের নিয়ামত থেকে কোনো শিশুকে বঞ্চিত করা উচিত নয়। শিশুর সুস্থ ও নিরাপদ বেড়ে ওঠার জন্য কৃত্রিম বিকল্পের পরিবর্তে মাতৃদুগ্ধকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

22 September 2026

কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান, প্রসবের পরপরই শালদুধ খাওয়ানোর ওপর জোর

কোলের শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:৩০:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: কোলের শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে মায়ের বুকের দুধের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, জন্মের পর প্রথম কয়েক মাস শিশুর প্রধান পুষ্টির উৎস হওয়া উচিত মায়ের দুধ এবং প্রসবের পরপরই শালদুধ খাওয়ানো অত্যন্ত জরুরি।

শনিবার (১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আল্লাহ তায়ালা মায়ের দুধকে শিশুর জন্য সর্বোত্তম পুষ্টি হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। অথচ বর্তমানে সিজারিয়ানের হার বৃদ্ধি ও সচেতনতার অভাবে অনেক শিশু শালদুধ ও মাতৃদুগ্ধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তিনি কোরআনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নির্দেশনার আলোকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শিশুকে মায়ের দুধ পান করানোর গুরুত্বও তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক মা নিজের অপুষ্টির অজুহাতে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখেন, যা একেবারেই অনুচিত। অল্প বয়সে বিয়ে, অসচেতনতা এবং মাতৃদুগ্ধ পান না করানোর কারণে শিশুদের মধ্যে পুষ্টিহীনতা বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী এক বছর জেলা পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করতে হবে। সিভিল সার্জন, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ত করে মাতৃদুগ্ধপানের গুরুত্ব জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এতে শিশু মৃত্যুহার কমবে এবং সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে উঠবে।

শিশুখাদ্যের বিষয়ে তিনি বলেন, দেশে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প খাদ্য নিয়ন্ত্রণে আইন রয়েছে। বাজারের সংরক্ষিত গুঁড়ো দুধের পরিবর্তে ছয় মাস বয়সের পর শিশুদের জন্য ঘরে তৈরি সুষম খাবার, যেমন চাল, ডাল, আলু ও শাকসবজি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি বেশি উপযোগী।

মায়েদের উদ্দেশে আবেগঘন আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মহান আল্লাহর দেওয়া মাতৃদুগ্ধের নিয়ামত থেকে কোনো শিশুকে বঞ্চিত করা উচিত নয়। শিশুর সুস্থ ও নিরাপদ বেড়ে ওঠার জন্য কৃত্রিম বিকল্পের পরিবর্তে মাতৃদুগ্ধকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।‘জীবনের সূচনায় মাতৃদুগ্ধ পান: টেকসই উদ্যোগ করি বেগবান’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Share this news as a Photo Card