ঢাকা, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ

খুলনা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

  • জবি প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৮ বার পঠিত
জবি প্রতিনিধি:   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) খুলনা জেলা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সংগঠনের সব সাংগঠনিক পদ ও সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অর্থ কেলেঙ্কারিসহ একাধিক অভিযোগের বিষয়ে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) খুলনা জেলা ছাত্রকল্যাণ সংসদের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই জাহাঙ্গীর আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিস্বার্থে সাংগঠনিক পদ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত জবাব বা ব্যাখ্যা জমা দেননি।
সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের ভাষ্য, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এ কারণে গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাঁকে সাধারণ সম্পাদকের পদসহ সংগঠনের সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে ভবিষ্যতে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ বা লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ৩০ জুলাই একই অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগগুলোর বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাব না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠন।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি পরবর্তীতে কোনো বক্তব্য দিলে তা প্রকাশ করা হবে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

সরকারি হাসপাতালের সামনে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

22 September 2026

কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

বিস্তারিত লিংক কমেন্টে |
nagorikbhabna.com
nagorikbhabna

অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ

খুলনা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কার

সর্বশেষ পরিমার্জন : ১১:২০:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
জবি প্রতিনিধি:   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) খুলনা জেলা ছাত্রকল্যাণ সংসদের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সংগঠনের সব সাংগঠনিক পদ ও সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অর্থ কেলেঙ্কারিসহ একাধিক অভিযোগের বিষয়ে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে না দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১ আগস্ট) খুলনা জেলা ছাত্রকল্যাণ সংসদের উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ জুলাই জাহাঙ্গীর আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিস্বার্থে সাংগঠনিক পদ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি কোনো লিখিত জবাব বা ব্যাখ্যা জমা দেননি।
সংগঠনের উপদেষ্টা পরিষদের ভাষ্য, কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়া গঠনতন্ত্র ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এ কারণে গঠনতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাঁকে সাধারণ সম্পাদকের পদসহ সংগঠনের সব সাংগঠনিক দায়িত্ব ও সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে সংগঠনের কোনো কার্যক্রমে ভবিষ্যতে জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ বা লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এর আগে, গত ৩০ জুলাই একই অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে অভিযোগগুলোর বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল এবং সন্তোষজনক জবাব না পেলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জবাব না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠন।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে মো. জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তিনি পরবর্তীতে কোনো বক্তব্য দিলে তা প্রকাশ করা হবে।

Share this news as a Photo Card