ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

যখন সন্ধ্যা নামে

মহসিন আলম মুহিন
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / ১৩৪ বার পঠিত

যখন সন্ধ্যা নামে
মহসিন আলম মুহিন

সূর্যের তেজ ক্ষীণ হয় ধীরে ধীরে,
দিন তার জৌলুস হারায় অস্তপারে,
আঁধার দ্রুত ঘনিয়ে আসে ধরাধামে, তখন-সন্ধ্যা নামে।।

যৌবনের গান উঠে না মৌবনে, চামড়ায় ভাঁজ পড়ে-নড়বড়ে গা! পা হারায় গতি থামে মেধা মতি! অশ্বের শক্তি খোয়া যায় জীবন চলার ধাপে, মনে হয় তখন-সন্ধ্যা নামে।।

আসে পাশে যারা থাকে পাঁজরের সৃষ্টিরা-
বেখেয়ালি চলে তাদের সেবা! সারাক্ষণ ভাবে
তারা, কখন হারাবে হতচ্ছাড়া, হবে হিস্যা মোদের
নামে তখন-ঘোর সন্ধ্যা নামে।।

আগামী প্রজন্ম বংশ পরম্পরা তাদের আখের
ঘোচানোয় মহাব্যস্ত, সময় নেই ঝুলে যাওয়া
থলথলে চামড়ার মালিকদের প্রয়োজনে কাছে থাকা,
অবহেলায় ফেলে রাখাই স্বভাব সিদ্ধ ভাবে, আলাদা
কোনো আশ্রম তালাশ করে তাদের নামে তখন-সন্ধ্যা নামে।।

বড় সাধের নাতি-নাতনি, প্রিয় খোকা, কন্যা, প্রিয় ভাই-বোন সব সরে যায় মায়ার বাঁধন! লিখে নেয় মাটি, ভাগ হয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, মায়া-মমতা, জীবনের চাঁদরটাও ছিঁড়ে দুই জায়গায় পাড়ে! চোখের জ্যোতিও শূন্যের ঘরে থামে, তখন-সন্ধ্যা নামে।।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

যখন সন্ধ্যা নামে

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:১৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

যখন সন্ধ্যা নামে
মহসিন আলম মুহিন

সূর্যের তেজ ক্ষীণ হয় ধীরে ধীরে,
দিন তার জৌলুস হারায় অস্তপারে,
আঁধার দ্রুত ঘনিয়ে আসে ধরাধামে, তখন-সন্ধ্যা নামে।।

যৌবনের গান উঠে না মৌবনে, চামড়ায় ভাঁজ পড়ে-নড়বড়ে গা! পা হারায় গতি থামে মেধা মতি! অশ্বের শক্তি খোয়া যায় জীবন চলার ধাপে, মনে হয় তখন-সন্ধ্যা নামে।।

আসে পাশে যারা থাকে পাঁজরের সৃষ্টিরা-
বেখেয়ালি চলে তাদের সেবা! সারাক্ষণ ভাবে
তারা, কখন হারাবে হতচ্ছাড়া, হবে হিস্যা মোদের
নামে তখন-ঘোর সন্ধ্যা নামে।।

আগামী প্রজন্ম বংশ পরম্পরা তাদের আখের
ঘোচানোয় মহাব্যস্ত, সময় নেই ঝুলে যাওয়া
থলথলে চামড়ার মালিকদের প্রয়োজনে কাছে থাকা,
অবহেলায় ফেলে রাখাই স্বভাব সিদ্ধ ভাবে, আলাদা
কোনো আশ্রম তালাশ করে তাদের নামে তখন-সন্ধ্যা নামে।।

বড় সাধের নাতি-নাতনি, প্রিয় খোকা, কন্যা, প্রিয় ভাই-বোন সব সরে যায় মায়ার বাঁধন! লিখে নেয় মাটি, ভাগ হয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, মায়া-মমতা, জীবনের চাঁদরটাও ছিঁড়ে দুই জায়গায় পাড়ে! চোখের জ্যোতিও শূন্যের ঘরে থামে, তখন-সন্ধ্যা নামে।।