ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির
মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র
ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
কটিয়াদীতে বিদ্যালয় সংস্কার কাজে অনিয়ম অভিযোগ শিক্ষার্থীদের

নাঈম ইসলাম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:০৪:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
- / ১১৫ বার পঠিত

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলাধীন জালালপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে কাজ বন্ধ ও আন্দোলন করে স্কুল শিক্ষার্থীরা। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিদ্যালয় সংস্কার কাজে ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। যা ভ্যাট ও অনান্য খরচ বাদে ১৯ লাখ টাকা রয়েছে।প্রকল্পের কাজটি করেন কিশোরগঞ্জের পিয়েলও আলম নামে একজন ঠিকাদার।
শিক্ষার্থীরা জানান, ফ্লোর ঢালাই যতটুকু দেওয়ার কথা ততটুকু দেওয়া হয়নি,পাতলা করে ঢালাই করেছে, রং করা কাজে তারা কোন রকম ঘষা-মাঝা ছাড়াই রং করেছে,যা পূরনো বিভিন্ন দাগ বেসে উঠে। আমরা চাই যতটুকু বাজেট এসেছে তা যথাযথভাবে সম্পাদন হোক।
এই বিষয়ে ঠিকাদার পিয়েলও আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঢাকা থাকায় মুঠোফোনে বলে কাজ এখনো চলমান, আমরা ৪ মাস ধরে কাজ করতেছি সেটা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে করাচ্ছে,শিক্ষকদের দায়িত্বে করাচ্ছে, এই বিষয়ের আমার কোন আইডিয়া নাই। আমি কাজ করতে লোক পাঠাইছি তাদের( শিক্ষকদের) বলছি আপনারা আপনাদের কাজ সুন্দর করে বুইঝা নেন।এখন হয়তো এটার মধ্যে তাদের কোন স্বার্থ জড়িত আছে এইজন্য তারা এটা নিয়ে কথা বলতেছে। যারা আমাকে হেরেজমেনি করাবে প্রত্যেকের নামে মামলা দিবো।কিশোরগঞ্জের ১৩টি উপজেলাসহ বাইরেও আমার কাজ করতেছে,কে কি করে আমার জানা আছে।
এই বিষয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ইসমাঈল হোসেন বলেন,প্রতিষ্ঠান মেরামতের জন্য সরকারিভাবে ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি ,মেরামতের কাজের মধ্যে দু-তলা বিল্ডিং-এর ফ্লোর ও রং-এর কাজের মধ্যে দূর্বল করেছে। টেন্ডার অনুযায়ী হয়নি,সেটা টেন্ডারের কাগজ হাতে পাওয়ার পর আমরা ও শিক্ষর্থীরা বুঝতে পেরেছি। শিক্ষার্থীরা অনিয়ম দেখে কাজ বন্ধ করে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারছে তাই তাদের নিয়ে গর্ববোধ করি। এখন আমরা ও শিক্ষার্থীরা চাই কাজটা যথাযথ হোক।
সিনিয়র সহকারী শিক্ষক ফজলু রহমান বলেন,কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে দেখছি কাজের কোন অগ্রগতি নাই,কাজে অবহেলা,যথাযথ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে না কিছু,কাজের সিডিউল চেয়েছি সেটাও দেয়নি ৪মাস পরে দিয়েছে।
এই বিষয়ে অত্র বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাঈদুল ইসলাম বলেন, আমি বিষয়টা দেখতেছি, ইন্জিনিয়ার ও স্থানীয় চেয়ারম্যানকে কাজের গুনগত মান দেখার জন্য বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন:

















