ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির
মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র
ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
এইচএসসি পরীক্ষার দিনে ‘কলম-প্রবেশপত্র’ নিষিদ্ধের নোটিশ! কুষ্টিয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি, সমালোচনার ঝড়
কুষ্টিয়ায় পরীক্ষাকেন্দ্রে বিভ্রান্তি, সমালোচনার ঝড়

উজ্জ্বল মাহমুদ, কুষ্টিয়া :
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:২৫:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
- / ২২৩ বার পঠিত

পরীক্ষার দিনে পরীক্ষার অন্যতম আবশ্যিক উপকরণ—প্রবেশপত্র, কলম, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, ক্যালকুলেটর—সবকিছুই নিষিদ্ধ! এমন চমকে দেওয়ার মতো এক নোটিশ টাঙানো হয় কুষ্টিয়ার ইসলামিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের চোখে পড়ার পরপরই নোটিশটির ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। মুহূর্তেই তৈরি হয় তীব্র সমালোচনা, উদ্বেগ এবং বিভ্রান্তি।
নোটিশে বলা হয়, ‘প্রবেশপত্র, রেজিস্ট্রেশন কার্ড, কলম, স্কেল, পেন্সিল, জ্যামিতি বক্স, ক্যালকুলেটর (নন-প্রোগ্রামেবল), কাঁটাযুক্ত ঘড়ি নিয়ে এইচএসসি পরীক্ষার হলে প্রবেশ নিষেধ।’
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অনেকেই বলেন, পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে এই উপকরণগুলো অপরিহার্য। অথচ এসবকেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা একেবারেই দায়িত্বহীনতা। এক পরীক্ষার্থী জানান, “ভেবেছিলাম কোনো পরিবর্তন এসেছে, ভয়ে হাত-পা কেঁপে গিয়েছিল।”
একজন অভিভাবক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার দিনে এমন একটা উদ্ভট ও বিভ্রান্তিকর নোটিশ টাঙানো কেবল অবহেলা নয়, এটা দায়িত্বের চরম ব্যত্যয়। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপে ফেলা হয়েছে।”
এ বিষয়ে ইসলামিয়া কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান বলেন, “কম্পোজের ভুলে এমনটি হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই নোটিশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরীক্ষায় কী কী আনা যাবে তা বোর্ড নির্ধারণ করে দেয়। আমরা বাড়তি কিছু বলিনি, ওই নোটিশ ভুলবশত কম্পোজ হয়েছে।”
তবে সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের অভিমত, এমন ‘কম্পোজ ভুল’ ক্ষমার অযোগ্য। কারণ একটি ভুল নোটিশ যেমন শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে, তেমনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।
এদিকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের শিক্ষা ও কল্যাণ শাখা জানিয়েছে, এবারের এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষায় জেলার ৩৯টি কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছেন ২০ হাজার ৪৬৬ জন পরীক্ষার্থী।
আরও পড়ুন:

















