ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

সময়মতো ব্যবস্থা নিলে টাক পড়া এড়ানো সম্ভব : ডা. সিফাত সাবা

ইবনে সাঈদ অঙ্কুর, ঢাকা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / ৯৫ বার পঠিত

চুল পড়া আজকাল শুধু বয়সজনিত নয়, বরং তরুণ-তরুণীদের মাঝেও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অপুষ্টি এবং হরমোনজনিত সমস্যাই এর প্রধান কারণ। অথচ বেশিরভাগ মানুষ দীর্ঘদিন এটিকে অবহেলা করে, যার পরিণতিতে অ্যালোপেশিয়া বা স্থায়ী টাক পড়ার মতো জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়।

চর্মরোগ ও লেজার বিশেষজ্ঞ ডা. সিফাত সাবা জানান সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই চুল পড়া প্রতিরোধ সম্ভব। তার মতে, “সঠিক কারণ চিহ্নিত করাই চিকিৎসার মূল ধাপ। থাইরয়েড, ফেরিটিন, ভিটামিন ডি, জিঙ্ক বা হরমোনের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্লাড টেস্ট করানো জরুরি।”

চুল পড়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ: বংশগত কারণ ,হরমোনের অসামঞ্জস্যতা যেমন পিসিওএস, থাইরয়েড সমস্যা,অপুষ্টি ও ভিটামিনের ঘাটতি,মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাব,স্ক্যাল্প সংক্রান্ত রোগ যেমন সিবোরিক ডার্মাটাইটিস, টিনিয়া,অতিরিক্ত কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট ও হিট স্টাইলিং |

আধুনিক চিকিৎসা ও প্রতিকার: চুল পড়া প্রতিরোধে বর্তমানে তিনটি প্রধান ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে :

১। ওষুধ ও পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট Minoxidil: চুল পড়া কমাতে কার্যকর একটি টপিক্যাল ওষুধ, Finasteride: পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট মুখে খাওয়ার ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট: বায়োটিন, জিঙ্ক, আয়রন ও কোলাজেন গ্রহণে চুলের গঠন ভালো থাকে
২। পিআরপি থেরাপি (PRP) রোগীর নিজ রক্ত থেকে প্লাজমা আলাদা করে স্ক্যাল্পে ইনজেক্ট করা হয়। এতে থাকা গ্রোথ ফ্যাক্টর চুলের ফলিকল পুনরুজ্জীবিত করে এবং চুল গজাতে সহায়তা করে।

৩। এক্সোসোম থেরাপি (Exosome Therapy) স্টেম সেল থেকে উদ্ভূত এক্সোসোম ভেসিকল ব্যবহার করে ফলিকল রিজেনারেশন ঘটানো হয়। যারা মিনক্সিডিল বা পিআরপি থেকে ভালো ফল পাননি, তাদের জন্য এটি একটি উন্নত চিকিৎসা বিকল্প।
ডা. সিফাত সাবা বলেন, “চুল পড়ার চিকিৎসায় যারা দেরি করেন, তাদের ক্ষেত্রে ফলাফল পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করাই বুদ্ধিমানের কাজ।”

পরামর্শ: সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে চুল পড়া অনেকাংশেই সারিয়ে তোলা সম্ভব । তাই অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়া কে অবহেলা না করে নির্ভরযোগ্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সময়মতো ব্যবস্থা নিলে টাক পড়া এড়ানো সম্ভব : ডা. সিফাত সাবা

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

চুল পড়া আজকাল শুধু বয়সজনিত নয়, বরং তরুণ-তরুণীদের মাঝেও ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, মানসিক চাপ, অপুষ্টি এবং হরমোনজনিত সমস্যাই এর প্রধান কারণ। অথচ বেশিরভাগ মানুষ দীর্ঘদিন এটিকে অবহেলা করে, যার পরিণতিতে অ্যালোপেশিয়া বা স্থায়ী টাক পড়ার মতো জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়।

চর্মরোগ ও লেজার বিশেষজ্ঞ ডা. সিফাত সাবা জানান সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই চুল পড়া প্রতিরোধ সম্ভব। তার মতে, “সঠিক কারণ চিহ্নিত করাই চিকিৎসার মূল ধাপ। থাইরয়েড, ফেরিটিন, ভিটামিন ডি, জিঙ্ক বা হরমোনের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্লাড টেস্ট করানো জরুরি।”

চুল পড়ার সম্ভাব্য কারণসমূহ: বংশগত কারণ ,হরমোনের অসামঞ্জস্যতা যেমন পিসিওএস, থাইরয়েড সমস্যা,অপুষ্টি ও ভিটামিনের ঘাটতি,মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাব,স্ক্যাল্প সংক্রান্ত রোগ যেমন সিবোরিক ডার্মাটাইটিস, টিনিয়া,অতিরিক্ত কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট ও হিট স্টাইলিং |

আধুনিক চিকিৎসা ও প্রতিকার: চুল পড়া প্রতিরোধে বর্তমানে তিনটি প্রধান ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে :

১। ওষুধ ও পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট Minoxidil: চুল পড়া কমাতে কার্যকর একটি টপিক্যাল ওষুধ, Finasteride: পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট মুখে খাওয়ার ওষুধ, সাপ্লিমেন্ট: বায়োটিন, জিঙ্ক, আয়রন ও কোলাজেন গ্রহণে চুলের গঠন ভালো থাকে
২। পিআরপি থেরাপি (PRP) রোগীর নিজ রক্ত থেকে প্লাজমা আলাদা করে স্ক্যাল্পে ইনজেক্ট করা হয়। এতে থাকা গ্রোথ ফ্যাক্টর চুলের ফলিকল পুনরুজ্জীবিত করে এবং চুল গজাতে সহায়তা করে।

৩। এক্সোসোম থেরাপি (Exosome Therapy) স্টেম সেল থেকে উদ্ভূত এক্সোসোম ভেসিকল ব্যবহার করে ফলিকল রিজেনারেশন ঘটানো হয়। যারা মিনক্সিডিল বা পিআরপি থেকে ভালো ফল পাননি, তাদের জন্য এটি একটি উন্নত চিকিৎসা বিকল্প।
ডা. সিফাত সাবা বলেন, “চুল পড়ার চিকিৎসায় যারা দেরি করেন, তাদের ক্ষেত্রে ফলাফল পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তাই যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করাই বুদ্ধিমানের কাজ।”

পরামর্শ: সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে চুল পড়া অনেকাংশেই সারিয়ে তোলা সম্ভব । তাই অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়া কে অবহেলা না করে নির্ভরযোগ্য চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।