গানের কণ্ঠে জীবনের গল্প বলেন অন্তরা কথা

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:১৮:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
- / ৩৫৩ বার পঠিত

গান তার রক্তে, সুর যেন তার নিঃশ্বাসে। বাবা-মায়ের ইচ্ছার সেতু বেয়ে গানের রাজ্যে পা রাখা মেয়েটির নাম অন্তরা কথা। বর্তমানে তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। তবে পরিচয় শুধু পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, অন্তরা আজ পরিচিত এক প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে।
গানের যাত্রা শুরু হয় বাবার ইচ্ছায়, আর প্রথম হাতে খড়ি মায়ের কাছে। সেখান থেকেই শুরু গানের পথচলা। পরবর্তীতে দুই কিংবদন্তি ওস্তাদ অরবিন্দু অধিকারী ও হাফিজুর রহমানের সান্নিধ্যে সুরের সাধনায় নিজেকে আরও শানিত করেন অন্তরা। গানে ওনাদের অবদান আজও কৃতজ্ঞতায় স্মরণ করেন তিনি।
জন্ম নড়াইলের কালিয়াতে হলেও অন্তরার বেড়ে ওঠা খুলনায়। খুলনার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, পারিবারিক শিক্ষাদান আর মানুষের প্রতি ভালোবাসাই গড়ে তুলেছে একজন অন্তরাকে। এখন তিনি থাকেন ঢাকায়, তবে গান ও হৃদয়ের টান তাঁকে সারাদেশজুড়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে।
পরিবারে আছেন মা ও বড় ভাই। মায়ের কাছ থেকেই পাওয়া গানের অনুপ্রেরণা আজো তাকে পথ দেখায়। অন্তরা বলেন,“গানই যেন আমার পরিচয় হয় এই স্বপ্ন নিয়েই এগিয়ে চলেছি। ছোটবেলা থেকে বাবাকে মানুষের পাশে থাকতে দেখেছি। আমি চাই গানকে হাতিয়ার করে আমিও মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি। সেটাই হবে বাবার প্রতি আমার শ্রদ্ধা।”
তার কণ্ঠে প্রাণ পায় সুরেলা গান, তবে গানের সব ধারাতেই তিনি স্বচ্ছন্দ। ইতোমধ্যেই অন্তরার কণ্ঠে যেসব গান শ্রোতামহলে সাড়া ফেলেছে, তার মধ্যে রয়েছে “ভাবি নি কখনো”, “প্রেম কবিতা”, “সাধের কক্সবাজার”এবং “প্রেমিক স্বৈরাচার”।
গান নিয়ে অন্তরার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট ভালো কাজ করতে চান, মানুষের মনে থেকে যেতে চান একজন শিল্পী হিসেবে। একান্ত প্রত্যাশা, তার গানের সুরেই একদিন ছুঁয়ে যাবেন লাখো হৃদয়।






















