ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

সবজি ও মাংসের দাম বৃদ্ধিতে বাজার উত্তপ্ত

আবু সাঈদ তুষার, ঢাকা
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • / ২৯৭ বার পঠিত

রাজধানীর বাজারে উত্তাপ কমছে না সবজির, একই চিত্র মাংসেও। কাঁচা বাজারগুলোতে গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যগুলো। সাধারণ কর্মজীবী মানুষ পড়ছে ভোগান্তিতে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে।

শনিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের মূল্যেই। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৯০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করল্লা কেজিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে পটলের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
অন্যদিকে বাজারে মাংসের দামও বাড়তির দিকেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া সোনালি মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়, লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা।
গত সপ্তাহের মতো একই দাম বজায় রয়েছে গরু ও খাসির বাজারে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায়।
বাজারে আসা ক্রেতা মকবুল হোসেন বলেন, সবকিছুর দাম কেবলই বাড়ে, কমে না। একটা জিনিসের দাম কমলেও আরেকটার দাম বেড়ে যায়। একটু স্বস্তিতে বাজার করার উপায় নেই। দিন যত যাচ্ছে দ্রব্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে।
আরেক ক্রেতা আশিকুর রহমান বলেন, আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য রোজকার কেনাকাটা কঠিন হয়ে পড়ছে। সবকিছুর দাম বেশি। অল্প কয়েকটা জিনিস কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়, আমরা চলবো কীভাবে।
দ্রব্যপূর্ণের বাড়তি দামের বিষয়ে বিক্রেতা বাবুল বলেন, আমাদেরকে এখন পাইকারি বাজার থেকেই সবকিছুই কেনা বেশি পড়তেছে। বৃষ্টির কারণে নাকি সাপ্লাই কমে গেছে, তাই বাড়তি দাম। কেনা বেশি পড়লে তো আমাদের কম দামের বিক্রির সুযোগ নেই।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সবজি ও মাংসের দাম বৃদ্ধিতে বাজার উত্তপ্ত

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর বাজারে উত্তাপ কমছে না সবজির, একই চিত্র মাংসেও। কাঁচা বাজারগুলোতে গত সপ্তাহের মতো এ সপ্তাহেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে পণ্যগুলো। সাধারণ কর্মজীবী মানুষ পড়ছে ভোগান্তিতে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে।

শনিবার (৫ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা এলাকার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে সবজি বিক্রি হচ্ছে আগের মূল্যেই। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, বরবটি ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৯০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ধুন্দুল ৮০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করল্লা কেজিপ্রতি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে পটলের দাম কিছুটা কমেছে। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
অন্যদিকে বাজারে মাংসের দামও বাড়তির দিকেই। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। এছাড়া সোনালি মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায়, লেয়ার মুরগি প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ টাকা।
গত সপ্তাহের মতো একই দাম বজায় রয়েছে গরু ও খাসির বাজারে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০ টাকায়। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায়।
বাজারে আসা ক্রেতা মকবুল হোসেন বলেন, সবকিছুর দাম কেবলই বাড়ে, কমে না। একটা জিনিসের দাম কমলেও আরেকটার দাম বেড়ে যায়। একটু স্বস্তিতে বাজার করার উপায় নেই। দিন যত যাচ্ছে দ্রব্য পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে।
আরেক ক্রেতা আশিকুর রহমান বলেন, আমাদের মতো স্বল্প আয়ের মানুষদের জন্য রোজকার কেনাকাটা কঠিন হয়ে পড়ছে। সবকিছুর দাম বেশি। অল্প কয়েকটা জিনিস কিনতেই সব টাকা শেষ হয়ে যায়, আমরা চলবো কীভাবে।
দ্রব্যপূর্ণের বাড়তি দামের বিষয়ে বিক্রেতা বাবুল বলেন, আমাদেরকে এখন পাইকারি বাজার থেকেই সবকিছুই কেনা বেশি পড়তেছে। বৃষ্টির কারণে নাকি সাপ্লাই কমে গেছে, তাই বাড়তি দাম। কেনা বেশি পড়লে তো আমাদের কম দামের বিক্রির সুযোগ নেই।