ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

উজানের ঢলে গঙ্গাচড়ায় তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন

রানুমিয়া, গঙ্গাচড়া (রংপুর) 
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৫৪ বার পঠিত

উজানের ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের ৬০ মিটার ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। বাঁধ ভাঙ্গন অব্যহত থাকায় তিস্তা সেতু, রংপুর-লালমনিরহাট সড়কসহ কয়েকটি চর ভাঙ্গনের হুমকিতেপড়েছে। আতংঙ্কে দিনাতিপাত করছেন নদীর তীরবর্তী মানুষেরা।
জানা যায়, রংপুরের সঙ্গে লালমনিরহাটের যোগাযোগ সহজ করতে ২০১৮ সালে স্থানীয়সরকারপ্রকৌশলঅধিদপ্তর (এলজিইডি) ১২১ কোটিটাকা ব্যয়ে গঙ্গাচড়ার মহিপুরে তিস্তা নদীর উপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণকরে। চলতি বছরের আগস্টে উজানের ঢলের তীব্র স্রোত সরাসরি এসে আঘাত হানে বাঁধে। এতে করে বাঁধের নিচের অংশের মাটি ভেসে গিয়ে ব্লকগুলো ধ্বসে পড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি স্থানীয় এলজিইডি কর্মকর্তাদের জানালে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মুসা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেই সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় সেতুর রক্ষা বাঁধের ধ্বস রোধে কাজ করার কথা জানান। কিন্তু পরবর্তীতে সেই কাজ বাস্তবায়ন করেনি এলজিইডি। চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটিতে ভাঙ্গন শুরু হয়। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত বাঁধের প্রায় ৬০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। উজানের ঢলের কারণে ভাঙ্গন অব্যহতরয়েছে।
লহ্মীটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, বাঁধ ভাঙ্গনের বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বাঁধের রক্ষানাবেক্ষণকারী কর্তৃপক্ষ এলজিইডিকে জানিয়েছে। তারা জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার কথা বলেছে। এর আগে বাঁধ যখন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল আমি এলজিইডিকে জানালে তারা মেরামতের আশ্বাস দেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোন কাজ করেনি। ফলে আজ বাঁধের বড় অংশ ভেঙ্গে গেছে। যেহেতুভারত থেকে পানি হু হুকরেঢুকছেতাইপুরোবাঁধটি দ্রুত ভেঙ্গে যাওয়ার শংঙ্কা রয়েছে। এতেকরেতিস্তা সেতু, রংপুর-লালমনিরহাটসড়ক, শংকরদহ, ইচলীসহকয়েকটিচরেরগ্রাম ভাঙ্গনের হুমকিতেরয়েছে।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, তিস্তা সেতু রক্ষাবাঁধে ভাঙ্গনের বিষয়ে আমি ডিসি স্যার ও এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আমাকে জানিয়েছে। এ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

উজানের ঢলে গঙ্গাচড়ায় তিস্তা সেতুরক্ষা বাঁধ নদীগর্ভে বিলীন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৯:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

উজানের ঢলে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের ৬০ মিটার ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। বাঁধ ভাঙ্গন অব্যহত থাকায় তিস্তা সেতু, রংপুর-লালমনিরহাট সড়কসহ কয়েকটি চর ভাঙ্গনের হুমকিতেপড়েছে। আতংঙ্কে দিনাতিপাত করছেন নদীর তীরবর্তী মানুষেরা।
জানা যায়, রংপুরের সঙ্গে লালমনিরহাটের যোগাযোগ সহজ করতে ২০১৮ সালে স্থানীয়সরকারপ্রকৌশলঅধিদপ্তর (এলজিইডি) ১২১ কোটিটাকা ব্যয়ে গঙ্গাচড়ার মহিপুরে তিস্তা নদীর উপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণকরে। চলতি বছরের আগস্টে উজানের ঢলের তীব্র স্রোত সরাসরি এসে আঘাত হানে বাঁধে। এতে করে বাঁধের নিচের অংশের মাটি ভেসে গিয়ে ব্লকগুলো ধ্বসে পড়ে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বিষয়টি স্থানীয় এলজিইডি কর্মকর্তাদের জানালে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মুসা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেই সাথে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় সেতুর রক্ষা বাঁধের ধ্বস রোধে কাজ করার কথা জানান। কিন্তু পরবর্তীতে সেই কাজ বাস্তবায়ন করেনি এলজিইডি। চলতি মাসের ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে উজানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ বাঁধটিতে ভাঙ্গন শুরু হয়। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত বাঁধের প্রায় ৬০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। উজানের ঢলের কারণে ভাঙ্গন অব্যহতরয়েছে।
লহ্মীটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, বাঁধ ভাঙ্গনের বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বাঁধের রক্ষানাবেক্ষণকারী কর্তৃপক্ষ এলজিইডিকে জানিয়েছে। তারা জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার কথা বলেছে। এর আগে বাঁধ যখন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল আমি এলজিইডিকে জানালে তারা মেরামতের আশ্বাস দেন। কিন্তু পরবর্তীতে কোন কাজ করেনি। ফলে আজ বাঁধের বড় অংশ ভেঙ্গে গেছে। যেহেতুভারত থেকে পানি হু হুকরেঢুকছেতাইপুরোবাঁধটি দ্রুত ভেঙ্গে যাওয়ার শংঙ্কা রয়েছে। এতেকরেতিস্তা সেতু, রংপুর-লালমনিরহাটসড়ক, শংকরদহ, ইচলীসহকয়েকটিচরেরগ্রাম ভাঙ্গনের হুমকিতেরয়েছে।
গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, তিস্তা সেতু রক্ষাবাঁধে ভাঙ্গনের বিষয়ে আমি ডিসি স্যার ও এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীকে জানিয়েছি। তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেবে বলে আমাকে জানিয়েছে। এ বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।