ঢাকা, বাংলাদেশ। , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীর অধিকার নিয়ে স্বামীর বাড়ি অনশন

গোবিন্দ মল্লিক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / ১১৬ বার পঠিত

Oplus_0

প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ওই তরুণী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন।

অনশনরত তরুণীর নাম পান্না দাশ (২৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার দক্ষিণ উত্তরসুর এলাকার সুকুমার সরকার ও আরতি সরকারের মেয়ে।

পান্না দাশ জানান, একই উপজেলার সবুজবাগ এলাকার জহর লাল দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশের সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে তার প্রেমের সম্পর্ক।  ওই বছর মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতে তারা এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ করেন। এভিডেভিড করে উজ্জ্বল প্রবাস ওমান চলে যায়।
পরবর্তীতে ২০২২ সালে ছুটিতে আসলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মৌলভীবাজার কালিবাড়ি মন্দিরে তাদের আনুষ্ঠানিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রায় দেড়মাস তার মাসির বাড়ি আমতৈলীতে আমাকে নিয়ে থাকে। ছুটি শেষ হলে সে আবার ওমান চলে যায়। এখনো সে ওমান অবস্থান করছে। সেই যাবার পর থেকে আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্বামী উজ্জ্বল দাশ এখন পরিবারের কথা বলে আমাকে ঘরে তুলছেন না। সকাল থেকে আমি তার বাড়ির গেইটে বসে আছি। শ্বশুর-শাশুড়ি গেইট খুলছেন না। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পরিবার না মানলে কিছু করার নেই।”আমি আমার স্থী অধিকার পেতে অনশন করছি,

আবেগাপ্লুত হয়ে পান্না দাশ বলেন, “আমাকে যদি ঘরে না তোলা হয়, আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।”

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলের মা আরতি রাণী দাশ গেইটের ভিতর থেকে বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামী বলতে পারবেন।
ইউপি সদস্য পিয়াস দাশ বলেন, আমি অতীতে চেষ্টা করেছি মেয়েটির অধিকার যেন ফিরে পায়, কিন্তু উজ্জ্বল দাশের বাবা বিষয়টি মানছেন না। যেহেতু তারা আমরা ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমি দেখছি মেয়েটার অনশন ভাঙ্গিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করা যায় কিনা

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

শ্রীমঙ্গলে স্ত্রীর অধিকার নিয়ে স্বামীর বাড়ি অনশন

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০১:০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়ে অনশন করছেন এক প্রেমিকা। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে ওই তরুণী তার মাকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান করছেন।

অনশনরত তরুণীর নাম পান্না দাশ (২৫)। তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলার দক্ষিণ উত্তরসুর এলাকার সুকুমার সরকার ও আরতি সরকারের মেয়ে।

পান্না দাশ জানান, একই উপজেলার সবুজবাগ এলাকার জহর লাল দাশের ছেলে উজ্জ্বল দাশের সঙ্গে ২০১৬ সাল থেকে তার প্রেমের সম্পর্ক।  ওই বছর মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালতে তারা এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ করেন। এভিডেভিড করে উজ্জ্বল প্রবাস ওমান চলে যায়।
পরবর্তীতে ২০২২ সালে ছুটিতে আসলে উভয় পরিবারের সম্মতিতে মৌলভীবাজার কালিবাড়ি মন্দিরে তাদের আনুষ্ঠানিক বিবাহ সম্পন্ন হয়। প্রায় দেড়মাস তার মাসির বাড়ি আমতৈলীতে আমাকে নিয়ে থাকে। ছুটি শেষ হলে সে আবার ওমান চলে যায়। এখনো সে ওমান অবস্থান করছে। সেই যাবার পর থেকে আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার স্বামী উজ্জ্বল দাশ এখন পরিবারের কথা বলে আমাকে ঘরে তুলছেন না। সকাল থেকে আমি তার বাড়ির গেইটে বসে আছি। শ্বশুর-শাশুড়ি গেইট খুলছেন না। স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পরিবার না মানলে কিছু করার নেই।”আমি আমার স্থী অধিকার পেতে অনশন করছি,

আবেগাপ্লুত হয়ে পান্না দাশ বলেন, “আমাকে যদি ঘরে না তোলা হয়, আমি আত্মহত্যার পথ বেছে নেব।”

এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে ছেলের মা আরতি রাণী দাশ গেইটের ভিতর থেকে বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা, আমার স্বামী বলতে পারবেন।
ইউপি সদস্য পিয়াস দাশ বলেন, আমি অতীতে চেষ্টা করেছি মেয়েটির অধিকার যেন ফিরে পায়, কিন্তু উজ্জ্বল দাশের বাবা বিষয়টি মানছেন না। যেহেতু তারা আমরা ওয়ার্ডের বাসিন্দা আমি দেখছি মেয়েটার অনশন ভাঙ্গিয়ে বিষয়টি মিমাংসা করা যায় কিনা