ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির
মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র
ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
আলোচিত সহোদর শিশু হত্যার রায়
কক্সবাজারে ৫ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
- / ১৪৮ বার পঠিত

কক্সবাজারের রামুতে সহোদর দুই শিশু অপহরণ পরবর্তী হত্যার মামলায় ৫জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৩ নারীসহ ৪জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।মঙ্গলবার(২১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওসমান গণি এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর মীর মোশারফ হোসেন টিটু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার জাহাঙ্গীর আলম, আবদুস শুক্কুর, আলমগীর হোসেন বুলু, মিজানুর রহমান ও মো. শহীদুল্লাহ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, একই এলাকার আবদুল মজিদ বদাইয়া, ফাতেমা খাতুন, রাশেদা খাতুন ও লায়লা বেগম।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার দোকান কর্মচারী মো. ফোরকানের দুই সন্তান হাসান শাকিল (১০) ও হোসেন কাজল (৮) বাড়ির পাশে খেলছিল। ওই সময় পাখির ছানা দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর আলম ও তার সহযোগীরা দুই শিশুকে অপহরণ করেন।অপহরণের পর রাতে ৪ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। কিন্তু পরিবার বিষয়টি পুলিশকে জানালে ক্ষুব্ধ হয়ে শিশু দু’জনকে হত্যা করা হয়। দুই দিন পর ১৯ জানুয়ারি রাত ১২টার দিকে স্থানীয় এক ফলের বাগানের পাশে খালের পাশে শিশু দু’জনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ঘটনার পরদিন নিহত শিশুদ্ধয়ের পিতা মো. ফোরকান বাদী হয়ে রামু থানায় মামলা করেন। পুলিশ ৯জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেন। প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, মুক্তিপণ না পাওয়ায় দুই শিশুকে হত্যা করে ড্রামে ভরে খালের ধারে ফেলে দেওয়া হয়।দীর্ঘ ৯ বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ৫জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় মোকারমা সুলতানা পুতুকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মীর মোশারফ হোসেন টিটু বলেন, বিচার দীর্ঘ হলেও আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছেন। বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ উভয়েই রায়ে সন্তুষ্ট।রায় ঘোষণার সময় প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন, অন্য ৮ আসামিরা জামিনের পর পলাতক রয়েছেন।

















