ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

জেলা প্রশাসন গুড়িয়ে দিল ইটভাটা, বেকার হয়ে পড়ছেন হাজারো শ্রমিক 

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার :
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৪১ বার পঠিত
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে দুইটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক এবং উপজেলা প্রশাসনের একটি যৌথদল।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে শুরু করে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নিযুক্ত দলটি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ২টি ইটভাটা স্কেভেটার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ও বান্দরবান জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। এছাড়া অভিযানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও বান্দরবান জেলা প্রশাসন এবং বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।এতে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বিএইচবি-১, জেএসবি-২ ব্রিকস গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এতে ভুক্তভোগী ইটভাটা মালিকরা প্রায় ৮০ লাখ  টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন।
ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় এই ২টি ইটভাটায় প্রায় ১৫শ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
এভাবে প্রতিনিয়ত ইটভাটা  গুড়িয়ে দিলে এবং উচ্ছেদ করলে হাজার-হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধ হয়ে যাবে।পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।ইটভাটা মালিকরা আরো বলেন, ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে ককসবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং রামুসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর-সরকারি অফিস-আদালত নির্মাণ বন্ধ হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫(সংশোধিত ২০১০) এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুসারে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,পরিবেশ সুরক্ষায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জেলা প্রশাসন গুড়িয়ে দিল ইটভাটা, বেকার হয়ে পড়ছেন হাজারো শ্রমিক 

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে দুইটি ইটভাটা গুড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক এবং উপজেলা প্রশাসনের একটি যৌথদল।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর ১টা থেকে শুরু করে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানে নিযুক্ত দলটি নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ২টি ইটভাটা স্কেভেটার দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
উক্ত অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ও বান্দরবান জেলার সিনিয়র সহকারী কমিশনার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান ফারুক। এছাড়া অভিযানে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন ও বান্দরবান জেলা প্রশাসন এবং বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।এতে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বিএইচবি-১, জেএসবি-২ ব্রিকস গুড়িয়ে দেওয়া হয়।
এতে ভুক্তভোগী ইটভাটা মালিকরা প্রায় ৮০ লাখ  টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন।
ইটভাটা মালিক ও শ্রমিকরা বলেন, নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকায় এই ২টি ইটভাটায় প্রায় ১৫শ শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
এভাবে প্রতিনিয়ত ইটভাটা  গুড়িয়ে দিলে এবং উচ্ছেদ করলে হাজার-হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান বন্ধ হয়ে যাবে।পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।ইটভাটা মালিকরা আরো বলেন, ইটভাটা বন্ধ হয়ে গেলে ককসবাজার ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি এবং রামুসহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর-সরকারি অফিস-আদালত নির্মাণ বন্ধ হয়ে যাবে।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানিয়েছেন, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫(সংশোধিত ২০১০) এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন অনুসারে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হচ্ছে।এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম বলেন,পরিবেশ সুরক্ষায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর বান্দরবান জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।