জবিতে শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মানোন্নয়নে গ্রহনীয় পদক্ষেপ

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১০:১৬:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- / ৯৯ বার পঠিত

আসন্ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থীর সংসদ (জকসু) নির্বাচন উপলক্ষে জবিতে জবিতে শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মানোন্নয়নে গ্রহনীয় পদক্ষেপ নিয়ে দৈনিক নাগরিক ভাবনা আয়োজিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি (জবিরিইউ) এর জকসু ভাবনায় জবি শিক্ষার্থীদের ভাবনাকে তুলে ধরেছেন টুম্পা দাস। জকসু ভাবনা পত্রটির সম্পাদনা করেছেন দৈনিক নাগরিক ভাবনার’র সহ-সম্পাদক অমৃত রায়।
শরীরচর্চা ও খেলাধুলা আমাদের স্বাস্থ্য এবং মনকে সুগঠিত করে।জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যে খেলাধুলার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করা একটি উন্নত ও আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার পথে অন্তরায় বলে আমি মনে করি।নারী শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত খেলাধুলার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা,প্রয়োজনীয় আর্থিক প্রনোদনার অভাব,উন্নত ও আধুনিক শরীরচর্চা কেন্দ্রের অভাব,অবকাঠামোগত অনুন্নয়ন ইত্যাদি শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে নিরঙ্কুশ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।তাই এসকল সমস্যার দ্রুত ও কার্যকরী সমাধান এবং এর পাশাপাশি শরীরচর্চা ও খেলাধুলার বিষয়ে ছেলে ও মেয়ে সবার মধ্যে আগ্রহ তৈরি ও নিয়মিত অনুশীলনের জন্য বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে ও শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
টুম্পা দাস,ইতিহাস বিভাগ,১৭ তম আবর্তন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুরান ঢাকার একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান,তবে এখানে রয়েছে অনেক প্রতিবন্ধকতা তারমধ্যে অন্যতম হলো শিক্ষার্থী বান্ধব সংগঠনগুলোর আর্থিক প্রণোদনার অভাব। তাই জবিতে শরীরচর্চা ও খেলাধুলার মানোন্নয়নে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে শরীরচর্চা ও খেলাধুলার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের যোগান দেয়া সম্ভব হয়। শরীরচর্চা ও খেলাধুলার বিষয়ে সবার মধ্যে আগ্রহ তৈরি করতে হবে এবং নিয়মিত অনুশীলনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আরো বেশি উৎসাহ সৃষ্টি করা সম্ভব ।
আখতারুজ্জামান তালুকদার,ইতিহাস বিভাগ,১৭ তম আবর্তন
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শরীরচর্চা আর খেলাধুলা এটা আসলে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কাছে অসহায়। জায়গার সংকীর্ণতা আর প্রশাসনের স্বদিচ্ছা দায়ী এখানে। তাই আমি শরীরচর্চা কেন্দ্র যেটা আছে সেটার আধুনিকায়ন আর শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করতে চাই। সেই সাথে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সংস্কার করে আধুনিকায়ন করতে চাই।নিয়মিত আন্তঃবিভাগ ফুটবল,ক্রিকেট,ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদি টুর্নামেন্টের আয়োজন করতে চাই। বিভিন্ন জাতীয় ইভেন্টে জবিয়ানদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে চাই যাতে।
সুজন চন্দ্র সুকুল
দর্শন বিভাগ,১৭ তম আবর্তন
ক্যাম্পাসে আশার পর থেকেই একটা বিষয়ের জন্য আক্ষেপ থেকেই যাচ্ছে, একজন খেলাধুলা প্রিয় মানুষ হিসেবে বলতে গেলে আমাদের খেলাধুলা করার জন্য তেমন কোনো মাঠ নেই যাও একটা আছে সেখানে আশেপাশের মানুষের অনেক উপস্থিতি দেখা যায়।তাই আউটডোর গেমসের জন্য একটা মাঠের ব্যবস্থা করা একান্তই কাম্য। সেইসাথে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ যাতে বছরে ঝতু অনুযায়ী গ্রীষ্ম ও শীত ২ বার ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা করে। আর খেলাধুলার সকল ইন্সট্রুমেন্ট যেন ডিপার্টমেন্ট থেকে দেওয়া হয় তার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
মোঃ হাবিবুর রহমান, ইতিহাস বিভাগ, ১৭ তম আবর্তন
শরীর চর্চা আর খেলাধুলার মানোন্নয়নের জন্য সবার আগে আমাদের একটি খেলাধুলা উপযোগী মাঠ ও জীম দরকার । বিভিন্ন টূর্নামেন্ট আয়োজনের মাধ্যমে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে হবে , মেধাবি ও আগ্রহি খেলোয়ারদের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে । পরিশেষে খেলাধূলায় অনূকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে যেমন বাজেট বৃদ্ধি, ডিপার্টমেন্টকে খেলাধুলার প্রতি পজিটিভ দৃষ্টি দিতে উৎসাহিত ইত্যাদি
নাঈম হোসেন,ইতিহাস বিভাগ,১৭ তম আবর্তন
অবকাঠামো উন্নয়ন: ধুপখোলা মাঠ সংস্কার ও নতুন ক্যাম্পাসে ইনডোর জিম-স্পোর্টস কমপ্লেক্স দ্রুত নির্মাণ।
যোগ্য কোচ নিয়োগ ও নিয়মিত প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজন।
ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল ও ইন্টার-ইউনিভার্সিটি প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে মেয়েদের জন্য।
খেলাধুলার বাজেট বাড়ানো ও কর্পোরেট স্পনসরশিপ আকর্ষণ।
শরীরচর্চাকে ক্রেডিট কোর্স করে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা।
শুভ্র রায়,নৃবিজ্ঞান বিভাগ,১৭ তম আবর্তন
জবিতে শারীরিক শিক্ষা এবং খেলাধুলা এটা কোন দাবি নয়, এটা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আমাদের অধিকার। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলাধুলার জন্য ইনডোর আউটডোর গেমস গ্রাউন্ড, এবং জিমনেসিয়াম আছে। বাট জবিতে নেই কোন খেলার গ্রাউন্ড এবং এমনকি শরীরচর্চার জন্য নেই কোন জিমনেসিয়াম। জবিতে জায়গা সংকটের কারণে আমরা খেলাধুলা কিংবা শরীরচর্চার কোন সুযোগ পাই না। এসব সংকটের মাঝেও আমরা চাই জবিতে সব খেলাধুলার ইভেন্ট চালু করুক এবং শরীরচর্চার জন্য একটা উন্নত মানে ইনস্ট্রোমেন্টসহ জিমনেসিয়াম এর ব্যবস্থা করুক তাহলে হয়তো শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি শরীরচর্চা করার একটা পরিবেশ পাবে বলে আমি মনে করি। ফলে শিক্ষার্থীরা দৈহিক এবং মানসিকভাবে ফিট থাকবে বলে আশা করি।
রিমন দে,পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন, ১৭ তম আবর্তন






















