তিন আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:২৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১০৮ বার পঠিত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর তিনটি আসনে পাঁচ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী, একজন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারীর চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা), নীলফামারী-২ (সদর) ও নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে মোট পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
কোন আসেন কার মনোনয়ন বাতিল, নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা)আসনে
মোট ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বাকি ৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।
নীলফামারী-২(সদর)আসনে
৭ জন প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুল হাসনাত মো.সাইফুল্লাহ রুবেল ওমিনহাজুল ইসলাম মিনহাজ-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।
নীলফামারী-৩ (জলঢাকা)আসনে
যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় পার্টির প্রার্থী রোহান চৌধুরীএবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আমজাদ হোসেন-এর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বাতিলের কারণ
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান জানান,“নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন যথাযথভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া নীলফামারী-৩ আসনের দুই প্রার্থীর ক্ষেত্রে মনোনয়নপত্রে ত্রুটি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।”
বৈধ প্রার্থীদের অবস্হান
নীলফামারী-১ আসনে বিএনপি জোট, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ মোট ৯ জন প্রার্থী বৈধ হয়েছেন।
নীলফামারী-২ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস ও বিএনএফের প্রার্থীরা বৈধতা পেয়েছেন।
নীলফামারী-৩ আসনে আপাতত বৈধ প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ওবায়দুল্লাহ সালাফীও বিএনপি মনোনীত সৈয়দ আলী।
আপিলের সুযোগ নির্বাচন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন। আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।

















