ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

জাময়াতে ইসলামী ৫৪-বছরে বেশি দমন-পীড়নের শিকার: জেলা আমীর

আতিক হাসান, ডিমলা প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫২ বার পঠিত
আতিক হাসান, ডিমলা প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জেলা জাময়াতে ইসলামী আমীর এবং নীলফামারী–১ (ডোমার–ডিমলা) আসনের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেছেন, গত ৫৪ বছরে জাময়াতে ইসলামী রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি দমন পীড়ন ও হয়রানির মুখে পড়েছে।
গত (৮ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার বিকাল ডিমলা সদর ইউনিয়নের জাময়াতে ইসলামী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মিথ্যা মামলা এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানির কারণে দলের বহু নেতাকর্মী ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। তারপরও তারা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস রেখে সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে অনেক আলেম ও নেতাকে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। একইভাবে আবুল কাশেমকে জুডিশিয়াল ক্লিংয়ে ফেলা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এসব ঘটনা দেশে ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার বলেন, জামাতের প্রতি জনগণের সমর্থন ধীরে ধীরে বাড়ছে। এই সমর্থন নেতাকর্মীদের আরও উৎসাহ দিচ্ছে। তিনি ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সঠিক তথ্য তুলে ধরলে মানুষ বাস্তব পরিস্থিতি জানতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সংবাদকর্মীরা তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবেন।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা সত্য তুলে না ধরলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা শান্তি, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা জাময়াতে ইসলামের সেক্রেটারী অধ্যাপক আন্তাজুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাওলানা কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি কাজী মাওলানা রুকনুজ্জামান বকুল, সহকারী সেক্রেটারি মো. আনোয়ার হোসেন, ডোমার উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. রবিউল আলম এবং সদর ইউনিয়ন আমীর নুর মোবাশ্বের।
সভায় তারা নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

জাময়াতে ইসলামী ৫৪-বছরে বেশি দমন-পীড়নের শিকার: জেলা আমীর

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
আতিক হাসান, ডিমলা প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডিমলায় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় জেলা জাময়াতে ইসলামী আমীর এবং নীলফামারী–১ (ডোমার–ডিমলা) আসনের মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেছেন, গত ৫৪ বছরে জাময়াতে ইসলামী রাজনৈতিক অঙ্গনে সবচেয়ে বেশি দমন পীড়ন ও হয়রানির মুখে পড়েছে।
গত (৮ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার বিকাল ডিমলা সদর ইউনিয়নের জাময়াতে ইসলামী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, মিথ্যা মামলা এবং বিভিন্ন ধরনের হয়রানির কারণে দলের বহু নেতাকর্মী ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। তারপরও তারা শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস রেখে সংগঠনের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতে অনেক আলেম ও নেতাকে অন্যায়ভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। একইভাবে আবুল কাশেমকে জুডিশিয়াল ক্লিংয়ে ফেলা হয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এসব ঘটনা দেশে ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন তোলে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার বলেন, জামাতের প্রতি জনগণের সমর্থন ধীরে ধীরে বাড়ছে। এই সমর্থন নেতাকর্মীদের আরও উৎসাহ দিচ্ছে। তিনি ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা সঠিক তথ্য তুলে ধরলে মানুষ বাস্তব পরিস্থিতি জানতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে সংবাদকর্মীরা তথ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবেন।
সভায় উপস্থিত অন্যান্য নেতারা বলেন, সাংবাদিকরা সত্য তুলে না ধরলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দুর্বল হয়ে পড়ে। তারা শান্তি, ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
সভায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন জেলা জাময়াতে ইসলামের সেক্রেটারী অধ্যাপক আন্তাজুল ইসলাম, ডিমলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুজিবুর রহমান, নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাওলানা কাজী হাবিবুর রহমান, উপজেলা সেক্রেটারি কাজী মাওলানা রুকনুজ্জামান বকুল, সহকারী সেক্রেটারি মো. আনোয়ার হোসেন, ডোমার উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. রবিউল আলম এবং সদর ইউনিয়ন আমীর নুর মোবাশ্বের।
সভায় তারা নির্বাচনী প্রস্তুতি, সাংগঠনিক কার্যক্রম এবং ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ জোরদারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন।