নুরুল আলম মেম্বার,ফরিদ-মনুর নেতৃত্বে
বালুখালীতে উজ্জীবিত বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন

- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৫৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১৬৯ বার পঠিত

শ.ম.গফুর,কক্সবাজার:আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন’কে সামনে রেখে কক্সবাজার-৪ উখিয়া-টেকনাফ আসনে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী ও ধানের শীষ প্রতীক’কে বিজয়ী করতে কোমর বেধে মাঠে নেমেছে দলের নেতাকর্মীরা।এই আসনের অধিভুক্ত এলাকার আনাচে-কানাচে উজ্জীবিত হয়েছে দলের লোকজন।তেমনি উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বৃহত্তর বালুখালীতে দলের নেতাকর্মীরা প্রতিটি ঘরে-ঘরে ধানের শীষ প্রতীকের জন্য ভোট প্রার্থনা করে মাঠে-ঘাটে সরব রয়েছেন।আর দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করতে,দলের কর্মসুচী পালন করতে, দলের নেতাকর্মীদের আপদে-বিপদে আর্থিক সহায়তার হাত প্রসারিত করে চলছেন পালংখালী ইউপি’র সদস্য নুরুল আলম মেম্বার,তাহার আপন সহোদর ছোট ভাই উখিয়া উপজেলার সাবেক যুবদল নেতা ফরিদুল আলম ফরিদ ও পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইন মনু।এক প্রতক্রিয়ায় যুবদল নেতা ফরিদুল আলম ফরিদ দু:খভারাক্রান্ত কন্ঠে বলেন,আমার রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক,পারিবারিক, সামাজিক ক্যারিয়ার প্রশ্নবিদ্ধ করতে সম্প্রতি সময় কিছু অখ্যাত সংবাদ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদের মাধ্যমে ষড়যন্ত্র করে আসছে।এসব সংবাদ পরিবেশনে দলের কিছু বিপথগামী নেতাকর্মীও জড়িত।আমার বিরুদ্ধে করা সংবাদগুলো আমাদের পারিবারিক প্রতিপক্ষের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ। সংবাদে আমার বিরুদ্ধে উপস্থাপিত তথ্য একেবারেই মিথ্যা। আমার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করা মাত্র।আমি নাকি আত্নগোপনে চলে গেছি,আমিতো রীতিমতো এলাকায় নিজের ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি।আমি কিভাবে ব্যবসায়িক এবং রাজনৈতিক ভাবে গড়ে উঠেছি তার আদ্যোপান্ত ব্যাখ্যা ব্যাখ্যা করে বলছি,আমি পড়ালেখাকালীন সময় থেকেই ব্যবসা বান্ধব ছিলাম।প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ চুকিয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পদার্পন।মাধ্যমিকে পড়াকালীন সময় থেকেই বাবা-ভাইয়ের পারিবারিক হোটেল ও বেকারিজ ব্যবসায় সময় দিতাম। পড়াকালীন সময়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়াই।ছিলাম শহীদ জিয়ার আদর্শের অন্ধভক্ত আর বিএনপি’র চেয়াপারসন বেগম খালেদার নেতৃত্বের প্রতি পরম আস্থা ও আনুগত্যশীল।বিদ্যালয় থেকে ফিরে বাবা-ভাইয়ের খাবার হোটেল ব্যবসা দেখাশোনার পাশাপাশি যুবদলের রাজনীতিতে পুরোদমে সক্রিয় হয়ে উঠি।কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের মিছিল-মিটিংয়ের অগ্রভাগে আমার উপস্থিতি ছিল চোখেপড়ার মত।যুবদলের রাজনীতি করার অপরাধে রাজনৈতিক আক্রান্তের শিকার হই। ১৯৯৬ সালের আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে উখিয়ার ঘাট কাস্টমসস্থ তাদের পারিবারিক খাবার হোটেলে প্রথম হামলা, ভাংচুর এবং হোটেলের মালামাল রাখার গুদাম ঘর দখলের নেন আওয়ামীলীগের দুর্বৃত্তরা।হামলা,মামলা,ভয়,আর নির্যাতনে দমে যায় নি। ছিলাম দরিদ্র,হতদরিদ্র,বিপদগ্রস্থ দলের নেতাকর্মী আর সাধারণ মানুষের বিপদের সহযাত্রী হিসেবে।আর্থিক সহায়তায় এগিয়ে থাকতাম দলের বিভিন্ন প্রোগ্রামে, নেতাকর্মীদের সাহস আর আস্থার সারথী হয়ে।একজন সহজ-সরল যুবনেতা হিসেবে চরম দু:সময়ে দলের নেতাকর্মীদের আগলে রাখতাম। আমার পারিবারিক খাবার হোটেল ও জায়গা-জমি’র ব্যবসা রয়েছে।রয়েছে চাল-ডালের ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবসা।রয়েছে সরকারী রাজস্ব প্রদানের বাজার ইজারার ডাক। সহোদর বড় ভাই স্থানীয় ইউপি’র নির্বাচিত মেম্বার।ব্যবসায়ীক,রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিত্বকারী পরিবার হিসেবে এলাকায় বিভিন্ন সময় প্রতিপক্ষের দ্ধারা ষড়যন্ত্রমুলক জেল-জুলুমের শিকারও হয়েছি।তারপরও থেমে থাকি নি।এলাকার মানুষের সুখে:দু:খে পাশে থেকেছি।যুবদল নেতা ফরিদুল আলম জানান,আমরা পারিবারিক ভাবে ব্যবসায়ীক ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান।বাবা মরহুম সৈয়দ মোস্তফা একজন খাবার হোটেলের ব্যবসায়ী ছিলেন।বড় ভাই সিরাজুল হক সওদাগর,ছৈয়দ আলম সওদাগর, নুরুল আলম সওদাগর,ভাইপো সুলতান, আমিন এবং তিনিও পারিবারিক ভাবে খাবার হোটেলের ব্যবসায়ী। উখিয়ার ঘাট কাস্টমস, থাইংখালী বাজার,পালংখালী বাজার,টেকনাফের শামলাপুর বাজার,বালুখালী বাজারে বড় খাবার হোটেল ও বেকারিজ ছিল।বর্তমানে বালুখালী পানবাজারে স্বাদ কুলিং কর্ণার এন্ড মিষ্টান্নের দোকান,বড়ভাই ও ভাইপোদের ২টি খাবারের হোটেল, কাস্টমস স্টেশনে ভাইয়ের হোটেল বিদ্যমান রয়েছে।বৈধ ব্যবসা থেকে ব্যবসায়িক সফলতায় বর্তমানে বালুখালী বাজারের ইজারাদার, চাল-ডালের দোকান,জায়গা-জমির ব্যবসা রয়েছে। সরকারের কোষাগারে ৩টি প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে আয়কর দিয়ে আসছি। পারিবারিক দোকানে পূর্বেও ২০/২৫ জন কর্মচারী ছিল,এখনো আছে।আমার নামীয় কোটি-কোটি টাকার সম্পদ আছে মর্মে অপপ্রচার হচ্ছে।আমার একটি মোটর সাইকেল আছে মাত্র,আর কোন মোটর যান নেই।কক্সবাজারে আমার নামীয় মালিকানাধীন কোন হোটেল নেই।জায়গা-জমি বলতে ক্রয়ের জন্য বায়নানামা করি আবার মুনাফা দিয়ে বিক্রি করি।স্থায়ী তেমন কোন জায়গা জমি নেই।যা আছে তা কিনি আর বিক্রি করে থাকি।আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, হচ্ছে হবেও।এর জেরে তৎকালিন আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জায়গা-জমির বিরোধ,মারামারি আর ষড়যন্ত্র মুলক ভাবে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার একাধিক মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছি। সেসব মামলায় জামিনে রয়েছি।এসব মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।তবে এখনো পর্যন্ত কোন মামলায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছি, কোন ছবি বা ভিডিও আছে কিনা প্রশ্ন রেখে বলেন,আদালত কর্তৃক তিনি দোষী সাব্যস্থ হন নি।পারিবারিক ভাবে বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি যুবদলের রাজনীতিতে জড়িত।আমরা গোষ্ঠীগত ভাবে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১নং ওয়ার্ড থেকে প্রতি নির্বাচনে জেঠাতো ভাইদের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে আসছি।বর্তমানেও আমার বড়ভাই নুরুল আলম পালংখালী ইউপির ১ নং ওয়ার্ডের বিপুল ভোটে নির্বাচিত মেম্বার। বংশ পরম্পরায় কোন না কোন একজন মেম্বার প্রার্থী হয়ে থাকি।ফলে এলাকায় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় তাদেত প্রতিপক্ষ রয়েছে।রাজনৈতিক, পারিবারিক,সামাজিক ও ব্যবসায়িক দন্ধের জের ধরে প্রতিপক্ষরাই আমাদের পিছু লেগেই আছে বিগত কয়েক যুগ ধরে।প্রতিপক্ষের লোকজন আমাদেরকে রাজনৈতিক, পারিবারিক, সামাজিক ও ব্যবসায়িক ভাবে ক্ষতিসাধন ও ভার্বমুতি ক্ষুন্ন করার মানসে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করতে তৎপর ছিলেন আছেনও।তারাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন তকমা লাগিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হন।আমি চলতি বছরে বালুখালী বাজারের ইজারাদার প্রাপ্ত হয়।এলাকার গুটিকয়েক টোকাই প্রকৃতির চাঁদাবাজ বিনা পুঁজিতে বাজার ইজারায় পার্টনার হতে অনৈতিক প্রস্তাব করে প্রত্যাখাত হয়ে নতুন করে আমাদের পূর্বের প্রতিপক্ষের লোকজনের যোগসাজসে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। যা একেবারে টাকার জোরে সিন্ডিকেট প্রচারণা।আমি প্রশ্ন রেখে বলছি আমার বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর কোন অভিযোগ নেই।শুধু গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় ফাঁসিয়ে দেওয়া মামলায় গ্রেফতার ছবি দেখিয়ে বার-বার অপপ্রচার চালাচ্ছেন।এলাকায় আমাদের পারিবারিক ভাবে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে।যার প্রমাণ গত ২০২১ সালে পালংখালী ইউপি’র নির্বাচনে হেভিওয়েট ৪ জন প্রার্থী’কে পিছনে ফেলে বিপুল ভোটে আমার বড়ভাই নুরুল আলম সওদাগর মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন।একজন সৎ,নির্লোভ, নিরহংকার মেম্বার হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত নুরুল আলম মেম্বার।এলাকায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে গরীব-দু:খী মজলুম মানুষের পাশে থাকায় কি আমাদের পরিবারের অপরাধ? সেসব আমাদের প্রতিপক্ষরা সহ্য করতে পারছেন না।আমরা পারিবারিক ভাবে সাধারণ জীবনযাপন করছি।আমাদের বাড়ির অবস্থান ক্যাম্প-৯ এবং ৮ ইস্টের মধ্যবর্তী। আমার ব্যক্তিগত ভাবে চাল-ডালের দোকান রয়েছে,সেই দোকানের মালামাল ক্যাম্পের রেশন ডিস্ট্রিবিউশনের ঠিকাদারের মাধ্যমে সরবরাহ করে থাকি বৈধপন্থায়।আমার কোন বাহিনী নেই।আমি আল্লাহর উপর ভরসা কারী।এলাকার আমজনতার মেজরিটি আমাদের ভালোবাসেন।আমরা বিশাল জনগোষ্ঠী। আমাদের পারিবারিক ভোট ব্যাংক রয়েছে শুধু ৮শত।আমাদের বেশী সম্পদ না থাকলেও অভাব ছিল না।এলাকা ছেড়ে পালাতে হয়নি।চাকরি করতে হয়নি।শুধু রাজনীতি আর স্থানীয় নির্বাচন’কে কেন্দ্র করে পেশাদার মাদক কারবারি সিন্ডিকেটের রোষানলে গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তার এক ভাই’কে গুলি করে আহত করা হয়েছিল।চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।এই হত্যার পিছনে ইন্দনদাতা হিসেবে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করা তৎকালিন দুই ইউপি সদস্য জড়িত ছিলেন। তারা এখনো আড়ালে ষড়যন্ত্রের বিষবাষ্প ছড়াচ্ছেন।আমার বিরুদ্ধে করা অপপ্রচার ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের অংশ।আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সর্বেব মিথ্যা বানোয়াট ,কাল্পনিক,প্রতিপক্ষের সিন্ডিকেট অপপ্রচার বলে মন্তব্য করছি।আমার এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। হোটেল ব্যবসায় আমার প্রথম হাতেখড়ি। ব্যবসা থেকেই রাজনৈতিক কর্মী।ছাত্রদল ও যুবদলের রাজনীতিতে স্কুল,ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন।আমৃত্যু বিএনপি’র রাজনীতি করে যেতে চাই।বিএনপি আমার শরীরে রক্ত-বিন্দুতে মিশ্রিত।কারো চোখ রাঙানো পরোয়া করিনা।আমার অবিচল রাজনৈতিক যাত্রায় সুর্য্য সারথি রাজনৈতিক সহকর্মীদের আগলে রেখে মানুষের ও জন্মস্থান মাটির কল্যাণে এগিয়ে যাওয়ায় আমার মুল লক্ষ্য।এবং মিথ্যা সংবাদের অপপ্রচারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।পালংখালী ইউনিয়ন যুবদল নেতা হাবিবুর রহমান ওপেল বলেন,যুবদল নেতা ফরিদ বালুখালী এলাকার বিএনপি পরিবারের প্রান বললেই চলে।যুব সমাজ’কে ঐক্যবদ্ধ করার জনক।তার নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধ চিলাম, আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ। কিন্তু ফরিদরা পারিবারিক ভাবে গত আওয়ামীলীগ সরকারের আমল থেকে মামলা-হামলা,জেল-জুলুমের শিকার।যা এখনো অব্যাহত থাকায় মনোকষ্ট পাচ্ছি।পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসাইন মনু বলেন,আমরা ধানের শীষ প্রতীক ও প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী’কে নির্বাচিত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।এতে নুরুল আলম মেম্বার,যুবদল নেতা ফরিদ সহ সকল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে রাজনৈতিক কর্মসুচী পালন করছি।কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্যি যে,আওয়ামীলীগ সরকার আমলে যারা সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল,তারা এখনও সুবিধায় রয়েছে।দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে।আমরা দলের প্রশ্নে,প্রার্থীর প্রশ্নে এবং প্রতীকের প্রশ্নে এক ও অভিন্ন। আমাদের মধ্যে কোন বিভাজন নাই।দলের আদর্শ অনুকরণ করে, ধানের শীষ প্রতীক’কে বিজয়ী করতে কোন প্রকার কাজের ঘাটতি নেই।স্থানীয় বিএনপি নেতা নুরুল আলম মেম্বার বলেন,আমরা এতসব ষড়যন্ত্র, বিভাজন বুঝিনা। শহীদ জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া,তারেক রহমান,ধানের শীষ,শাহজাহান চৌধুরী বুঝি মাত্র।সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ধানের শীষ প্রতীক জয়ী করতে নিরলস কাজ করছি।আশা করছি বিপুল ভোটে ধানের শীষ জয়ী হবে ইনশাআল্লাহ।

















