ঢাকা , রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220
দ্রুত ব্যবস্থা চায় এলাকাবাসী

ফুলছড়িতে জিও ব্যাগ ধসে ঝুঁকিতে বসতবাড়ী ও শিক্ষা প্রতিষ্টান

মজনু মিয়া,গাইবান্ধা:   গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের ভুষির ভিটা গ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে পূর্বে ডাম্পিং করা জিও ব্যাগ হঠাৎ ধসে পড়ায় জনবসতি ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে তিনটি স্থানে জিও ব্যাগ ধসে যায়। এর মধ্যে এক স্থানে প্রায় ৫০ মিটার, অন্য স্থানে ৩০ মিটার এবং আরেক স্থানে প্রায় ২০ মিটার এলাকা ধসে গেছে।
ধসে যাওয়া তিনটি স্থানের মধ্যে দুটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীর স্রোত বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে পুনরায় জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এতে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :

দুপচাঁচিয়ায় বিয়ে বাড়ি থেকে R15M চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার, আটক-২

26 July 2026

নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকা থেকে মতি নামের এক ব্যক্তির অর্ধ গলিত লাশ উদ্ধার! 

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

দ্রুত ব্যবস্থা চায় এলাকাবাসী

ফুলছড়িতে জিও ব্যাগ ধসে ঝুঁকিতে বসতবাড়ী ও শিক্ষা প্রতিষ্টান

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৫:০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
মজনু মিয়া,গাইবান্ধা:   গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নের ভুষির ভিটা গ্রামে নদীভাঙন প্রতিরোধে পূর্বে ডাম্পিং করা জিও ব্যাগ হঠাৎ ধসে পড়ায় জনবসতি ও একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে তিনটি স্থানে জিও ব্যাগ ধসে যায়। এর মধ্যে এক স্থানে প্রায় ৫০ মিটার, অন্য স্থানে ৩০ মিটার এবং আরেক স্থানে প্রায় ২০ মিটার এলাকা ধসে গেছে।
ধসে যাওয়া তিনটি স্থানের মধ্যে দুটি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় এবং একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত। ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীভাঙনের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে নদীর স্রোত বৃদ্ধি পেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে মনে করছেন তারা।
এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে পুনরায় জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এতে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয়রা গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Share this news as a Photo Card