শেখ রিফান আহমেদ : যে জাতির যুবসমাজ যত দক্ষ, সৃজনশীল ও কর্মক্ষম, সেই জাতি তত দ্রুত উন্নতির পথে এগিয়ে যায়। প্রতিবছর ১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—তরুণদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোই টেকসই উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।
বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ তরুণ। এই বিপুল জনগোষ্ঠী দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। কিন্তু এই সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হলে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ।
বর্তমান বিশ্বে কর্মক্ষেত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অটোমেশন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার নতুন ধরনের দক্ষতার চাহিদা তৈরি করেছে। তাই শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে।
তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহজ ঋণ, প্রশিক্ষণ এবং বাজার সংযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি, গবেষণা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে হবে। এতে তারা দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।
মাদক, সাইবার অপরাধ এবং সামাজিক অবক্ষয়ের মতো চ্যালেঞ্জ থেকেও তরুণদের রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আন্তর্জাতিক যুব দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—প্রতিটি তরুণের মেধা, শ্রম ও সৃজনশীলতাকে জাতীয় উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর করা। কারণ আজকের তরুণরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 























