শেখ রিফান আহমেদ : ১৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে গভীর শোক ও বেদনার দিন। এই দিনে সংঘটিত মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড দেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত। জাতীয় শোক দিবস আমাদের শুধু অতীতের বেদনাকে স্মরণ করিয়ে দেয় না, বরং গণতন্ত্র, সাংবিধানিক শাসন, মানবিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐক্যের গুরুত্বও নতুন করে উপলব্ধি করায়।
ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রতিটি জাতির দায়িত্ব। একটি জাতি তখনই এগিয়ে যেতে পারে, যখন সে তার ইতিহাসকে সম্মান করে, ভুল থেকে শিক্ষা নেয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সত্যনিষ্ঠ ইতিহাস তুলে ধরে। জাতীয় শোক দিবস সেই দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।
আজকের বাংলাদেশ উন্নয়ন, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে হলে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু তা যেন কখনো সহিংসতা, বিদ্বেষ কিংবা অসহিষ্ণুতায় রূপ না নেয়।
নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সহনশীলতা এবং আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তোলা জরুরি। একটি উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।
জাতীয় শোক দিবসের শিক্ষা হোক—অতীতের বেদনাকে শক্তিতে রূপান্তর করে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
-লেখক : সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা

শেখ রিফান আহমেদ, সম্পাদক, দৈনিক নাগরিক ভাবনা 























