ঢাকা , সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

উপজেলা বিভিন্ন উন্নয়নে অর্থ আত্মসাৎ ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ।

সমীর সরকার ময়মনসিংহ বিশেষ প্রতিনিধি

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ এক বার্তায় বলেন প্রিয় হালুয়াঘাটবাসী ,সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আপনাদের সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা আমার নৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব।

প্রচারিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন না করেই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বাস্তবতা হলো, উল্লিখিত অর্থের একটি বড় অংশ সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী বরাদ্দ ও পে-অর্ডার হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর যথাযথ যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন শেষে নিয়ম অনুসারে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হবে।

আলোচিত অর্থের মধ্যে রয়েছে— ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মেরামত কাজের বরাদ্দ, উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের বিল, মাননীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অর্থ, মাননীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষের সংস্কার ব্যয় এবং চলমান ও অসমাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিল, যা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর, ঠিকাদার এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত রয়েছেন। সরকারি অর্থ পরিশোধ বা প্রকল্প-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম কোনো ব্যক্তির একক সিদ্ধান্তে সম্পন্ন হয় না; বরং নির্ধারিত প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তা সম্পাদিত হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র, কার্যাদেশ, অনুমোদনপত্র এবং আর্থিক রেকর্ড যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

আমি হালুয়াঘাটবাসীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই, গুজব বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করে মতামত প্রদান করুন। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হালুয়াঘাটের উন্নয়ন এবং জনগণের কল্যাণে আমি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাব।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

দুপচাঁচিয়া ডিমশহর উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

03 August 2026

বলেশ্বর নদীতে যৌথ অভিযানে ৩-অবৈধ বাঁধা জাল ধ্বংস

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

উপজেলা বিভিন্ন উন্নয়নে অর্থ আত্মসাৎ ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ।

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৮:২৯:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

সমীর সরকার ময়মনসিংহ বিশেষ প্রতিনিধি

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ এক বার্তায় বলেন প্রিয় হালুয়াঘাটবাসী ,সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে একটি বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আপনাদের সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা আমার নৈতিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব।

প্রচারিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে যে, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন না করেই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। বাস্তবতা হলো, উল্লিখিত অর্থের একটি বড় অংশ সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী বরাদ্দ ও পে-অর্ডার হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর যথাযথ যাচাই-বাছাই ও অনুমোদন শেষে নিয়ম অনুসারে ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ করা হবে।

আলোচিত অর্থের মধ্যে রয়েছে— ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মেরামত কাজের বরাদ্দ, উপজেলা পরিষদের বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের বিল, মাননীয় সংসদ সদস্যের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের অর্থ, মাননীয় সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষের সংস্কার ব্যয় এবং চলমান ও অসমাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্পের বিল, যা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট দপ্তর, ঠিকাদার এবং অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত রয়েছেন। সরকারি অর্থ পরিশোধ বা প্রকল্প-সংক্রান্ত আর্থিক কার্যক্রম কোনো ব্যক্তির একক সিদ্ধান্তে সম্পন্ন হয় না; বরং নির্ধারিত প্রশাসনিক ও আর্থিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই তা সম্পাদিত হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকল নথিপত্র, কার্যাদেশ, অনুমোদনপত্র এবং আর্থিক রেকর্ড যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

আমি হালুয়াঘাটবাসীর প্রতি আন্তরিক আহ্বান জানাই, গুজব বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করে মতামত প্রদান করুন। জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হালুয়াঘাটের উন্নয়ন এবং জনগণের কল্যাণে আমি অতীতের মতো ভবিষ্যতেও নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাব।

Share this news as a Photo Card