ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬
বিজ্ঞপ্তি :
পত্রিকা প্রচার ও প্রসার বৃদ্ধির লক্ষ্যে সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন: 09649-230220

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জবিতে সংঘর্ষ, তদন্ত শুরু

জবি প্রতিনিধি:জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জবি প্রশাসন।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগে থেকেই বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা ও মতবিনিময় করে। জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন এ কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের জন্য প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইউজিসির সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে সবার সংযত, দায়িত্বশীল ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণ প্রত্যাশিত ছিল।তবে অনুষ্ঠান চলাকালে কতিপয় শিক্ষার্থীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম, শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মতপ্রকাশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংযম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি-বিধান ও শৃঙ্খলা মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাই।’’
 ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আজম খানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share this news as a Photo Card

সম্পর্কিত খবর :
জনপ্রিয়

হালুয়াঘাটে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, প্লাবিত পৌর শহর সহ বিভিন্ন এলাকা

05 August 2026

নীলফামারীতে ক্রিকেট প্রশিক্ষণার্থীদের সনদ প্রদান

বিস্তারিত পড়তে কমেন্টে লিংক ... |
nagorikbhabna.com

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে জবিতে সংঘর্ষ, তদন্ত শুরু

সর্বশেষ পরিমার্জন : ০৩:২০:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
জবি প্রতিনিধি:জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জবি প্রশাসন।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগে থেকেই বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনের সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা ও মতবিনিময় করে। জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন এ কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের জন্য প্রশাসন সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে ইউজিসির সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতির প্রেক্ষাপটে সবার সংযত, দায়িত্বশীল ও শৃঙ্খলাপূর্ণ আচরণ প্রত্যাশিত ছিল।তবে অনুষ্ঠান চলাকালে কতিপয় শিক্ষার্থীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম, শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মতপ্রকাশ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সংযম, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি-বিধান ও শৃঙ্খলা মেনে চলার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থী ও সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানাই।’’
 ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আজম খানকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মেজবাহ-উল-আজম সওদাগর।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, তদন্ত কমিটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Share this news as a Photo Card