
অরবিন্দ রায়: উৎসবমুখর পরিবেশে ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব বিশ্বকর্মা ভক্তি ও শ্রদ্ধায় পালিত হলো। বিশ্বকর্মা পূজা হলো কর্ম কারিগরি দক্ষতার সাথে যুক্ত মানুষের কর্মক্ষেত্রের মঙ্গল, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার প্রতি শ্রদ্ধা ও প্রার্থনার ধর্মীয় আয়োজন। প্রতিবছর ভাদ্র মাসের চৈএ সংক্রান্তিতে বিশ্বকর্মা পূজা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বকর্মা পূজায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপে ঢাকঢোল, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি, মন্ত্রোচ্চারন, পূজা – অর্চনা, অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরনের মধ্য দিয়ে বিশ্বকর্মা পূজা উদযাপন করেন সনাতন ধর্মের মানুষ।
জয় দও জানান, কর্মই মানুষের জীবনের অন্যতম প্রধান শক্তি। বিশ্বকর্মা পূজার মাধ্যমে আমরা সৎ ভাবে কাজ করার অনুপ্রেরণা পাই। পরিবার, কর্মক্ষেত্র ও সমাজের শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনা করে পূজা করে থাকি।
রাজেশ সাহা জানান, ব্যবসায় লাভ লোকসান থাকবেই। তবে আমি বিশ্বাস করি, পরিশ্রম ও সততার সাথে কাজ করলে সফলতা আসবে। বিশ্বকর্মা পূজায় ব্যবসার উন্নতি সবার মঙ্গল কামনা করি।
গকুল মজুমদার জানান, বিশ্বকর্মা পূজা আমাদের সংস্কৃতির ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের অংশ। বিশ্বকর্মার কাছে আমাদের প্রার্থনা, কর্মজীবন সফল ও নিরাপদ হোক।
বিশ্বকর্মা পূজা শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, কর্ম ও কারিগরি দক্ষতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। মানুষের কর্মজীবনের সাফল্য, প্রতিষ্ঠানের উন্নতি, দেশ ও সমাজের শান্তি – সমৃদ্ধি কামনায় প্রার্থনা করা হয়। শিল্প , কারিগরি, ও নির্মাণ কাজের সাথে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, কলকারখানা, ওর্য়াকশপ, গারেজ, ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে, মন্দিরে বাসা – বাড়িতে নানা আয়োজনে মধ্য দিয়ে দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার পূজা উদযাপন করা হয়।
বিশ্বকর্মার আর্শীবাদে শ্রমজীবি মানুষের জীবন নিরাপদ হোক। কর্মক্ষেত্র হোক দুর্ঘটনা মুক্ত, নতুন প্রজন্মের জন্য তৈরি হোক নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ। উৎসবের আনন্দ ও সামাজিক সম্প্রীতিতে বিশ্বকর্মা পূজার মাধ্যমে ভক্তরা প্রার্থনা করেন মানুষের জীবনে নতুন আশা ও কর্মের অনুপ্রেরণা।
বিশ্বকর্মা পূজা ঘিরে বিভিন্ন শ্রেনি -পেশার মানুষের মধ্যে মিলন ও সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি হোক। বিশ্বকর্মা পূজায় ভক্তরা দেশ, সমাজের শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনায় প্রার্থনা করেন।

অরবিন্দ রায় 
























