ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির
মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র
ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন
মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও
ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
হারুন মন্ডলের দুই পাখি মানুষের মত কথা বলে

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
- / ৯৮ বার পঠিত

রাজবাড়ীর সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বড় ভবানীপুরের মোল্লা পাড়া এলাকায় মানুষের মতো করে কথা বলে। পোষা দুটি শালিক পাখি। রবিবার ২৫ মে দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়। পাখি দুটিকে দেখতে ওই বাড়িতে সব সময় মানুষের ভিড় লেগেই থাকে।
এ বিষয়ে পাখি প্রেমিক হারুন মন্ডল বলেন, দুই বছর আগে আমার বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে আমি দেখতে পাই একটি গর্তের মধ্যে দুটি শালিক পাখির বাচ্চা পড়ে আছে। আমি তখন বাচ্চা দুটোকে বাড়িতে নিয়ে আসি, সন্তানের মতোই লালন পালন করে বড় করে তুলি। এরপর শখ করে আমি তাদের নাম রেখেছি মন্টু এবং ফাতেমা। এখন পাখি দুটো আমাদের পরিবারের সদস্য হয়ে গেছে। আমাকে বাবা বলে ডাকে, আমার স্ত্রীকে মা বলে ডাকে, আমার সন্তান আমার ছেলের বউ তাদেরকেও ভাইয়া ভাবি বলে ডাকে। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ পাখি দুটোকে দেখতে আসে আমার কাছে তখন অনেক ভালো লাগে। আমার গ্রামবাসীরা সবসময় এসে পাখিদের সাথে কথা বলে। মানুষ যা বলবে পাখিও তাই বলে।
গ্রামবাসীরা জানান, শালিক পাখি মানুষের মতো করে কথা বলে এই প্রথম দেখলাম। আমরা হারুনকে দেখেছি ছোটবেলা থেকেই পশু পাখির প্রতি অনেক মায়া ভালোবাস। গ্রামবাসী আরো বলেন, হারুন মন্ডল, ভ্যান গাড়ি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন, তারপরেও যেন পশু পাখিদের উপর হারুনের যে ভালোবাসা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। সে সাথে তিনি বিভিন্ন জাতের কবুতর লালন পালন করেন, এ যেন হারুনের ছোট্ট এ বাড়িতে কবুতর আর পাখির ভালোবাসায় সিত্ত, পুরো গ্রামবাসী।
আরও পড়ুন:





















