ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী

৪৮২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি

রাজু আহমেদ, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
  • / ৮২ বার পঠিত
তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজবাড়ী জেলার ৪৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে গিয়েছেন। থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও পাঠদান কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাজবাড়ী শহরের শ্রীপুর ও টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান একেবারেই বন্ধ। শিক্ষার্থীরা কেউ মাঠে খেলছে, কেউ ছবি আঁকছে, আবার অনেকে শ্রেণি না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। শিক্ষকরা অফিস কক্ষে বসে নথিপত্রের কাজ করছেন। অন্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল অনেক কম।
শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিনা আক্তার বলেন, “কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী আমরা পাঠদান থেকে বিরত রয়েছি। তবে বিদ্যালয়ে নিয়মমাফিক উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দেখভাল করছি।” তিনি আরও বলেন, “সহকারী শিক্ষক হিসেবে আমরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। প্রধান শিক্ষক কিংবা অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় আমাদের বেতনে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই।”
টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাহমিনা মুন্নি বলেন, “পাঠদান না করলেও আমরা নিয়মমাফিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে অফিসিয়াল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আচরণগত দিকেও নজর রাখছি যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়।”
একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, “আমাদের বিদ্যালয়ে ৮ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। তারা সবাই কর্মবিরতিতে থাকায় পাঠদান পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেখভালের জন্য আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।”
শিক্ষকদের দাবি, তাদের ন্যায্য দাবিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে কর্মসূচি চলমান থাকবে, যা প্রাথমিক শিক্ষায় স্থবিরতা তৈরি করতে পারে।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

৪৮২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতি

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৩:৫৬:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মে ২০২৫
তিন দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজবাড়ী জেলার ৪৮২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতিতে গিয়েছেন। থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকলেও পাঠদান কার্যক্রম থেকে বিরত রয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাজবাড়ী শহরের শ্রীপুর ও টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে পাঠদান একেবারেই বন্ধ। শিক্ষার্থীরা কেউ মাঠে খেলছে, কেউ ছবি আঁকছে, আবার অনেকে শ্রেণি না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। শিক্ষকরা অফিস কক্ষে বসে নথিপত্রের কাজ করছেন। অন্য দিনের তুলনায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল অনেক কম।
শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিনা আক্তার বলেন, “কেন্দ্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী আমরা পাঠদান থেকে বিরত রয়েছি। তবে বিদ্যালয়ে নিয়মমাফিক উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দেখভাল করছি।” তিনি আরও বলেন, “সহকারী শিক্ষক হিসেবে আমরা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। প্রধান শিক্ষক কিংবা অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের তুলনায় আমাদের বেতনে ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে। আমরা এই বৈষম্যের অবসান চাই।”
টাউন মক্তব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তাহমিনা মুন্নি বলেন, “পাঠদান না করলেও আমরা নিয়মমাফিক বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে অফিসিয়াল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আচরণগত দিকেও নজর রাখছি যেন কোনো বিশৃঙ্খলা না হয়।”
একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, “আমাদের বিদ্যালয়ে ৮ জন সহকারী শিক্ষক রয়েছেন। তারা সবাই কর্মবিরতিতে থাকায় পাঠদান পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের দেখভালের জন্য আমাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।”
শিক্ষকদের দাবি, তাদের ন্যায্য দাবিগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে কর্মসূচি চলমান থাকবে, যা প্রাথমিক শিক্ষায় স্থবিরতা তৈরি করতে পারে।