ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ

জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

নাঈম ইসলাম, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ)
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
  • / ৯৯ বার পঠিত
ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এরই মধ্যে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় বিভিন্ন হাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম বিভিন্ন পশুর হাটগুলো। ক্রেতাদের পাশাপাশি ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ীরা। এবারও বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদাই বেশি।
তবে দেখা যাচ্ছে গরুর হাটে ইচ্ছেমতো হাসিল আদায় করা হচ্ছে। রবিবার কটিয়াদী উপজেলাধীন জালালপুর আনন্দ বাজার গরুর হাটে এ চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে আনন্দ বাজার গরুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখর হয়ে উঠেছে হাট। বড় গরুর চাইতে মাঝারি গরুর চাহিদা অনেক বেশি।
 তবে হাটে প্রতিটি ছাগলের খাজনা বাবদ বিক্রেতা ও ক্রেতা কাছ থেকে ২৫০-২৫০টাকা হাসিল আদায়। যা সরকারী তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে ছাগলের মূল্য অনুসারে ১১০ থেকে ২২০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২২-৫৫ টাকা।
অন্যদিকে ইজারাদাররা গরুর খাজনা বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করছে। যা সরকারি তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে গরুর মূল্য অনুসারে ৩৩০-৬০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৬০-১২০ টাকা।
হাটে আসা একজন গরু বিক্রেতা রফিক বলেন, আমার কাছে ৫০০ টাকা নিয়েছে। বিক্রেতাদের কাছ থেকে এত টাকা নেওয়া যুক্তিসঙ্গত না। হাটে প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই দেখে এভাবে ইজারাদাররা সবার কাছে বেশি টাকা নিচ্ছেন।
এদিকে এ হাটের ইজারা নেওয়া হয়েছে ২লক্ষ ৫১হাজার টাকা, যা বিগত সালে ছিলো ৫০-৬০ হাজার টাকায়।
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন,তাদের বলা হয়েছে বিগতসালে যত করে খাজনা ছিলো সে হিসেবে নিতে। গরুর প্রতি ১ হাজার ও ছাগলে প্রতি ৫শ’ত টাকা খাজনা নেওয়ার প্রশ্ন করলে মাঈদুল ইসলাম বলেন, হায় হায় কি বলেন আমি তো জানি না, আমি এখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের অভিযোগ

জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
ঈদুল আজহার বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এরই মধ্যে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় বিভিন্ন হাটে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম বিভিন্ন পশুর হাটগুলো। ক্রেতাদের পাশাপাশি ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্তের ব্যবসায়ীরা। এবারও বড় গরুর তুলনায় ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদাই বেশি।
তবে দেখা যাচ্ছে গরুর হাটে ইচ্ছেমতো হাসিল আদায় করা হচ্ছে। রবিবার কটিয়াদী উপজেলাধীন জালালপুর আনন্দ বাজার গরুর হাটে এ চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে আনন্দ বাজার গরুর হাটে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতা-বিক্রেতায় মুখর হয়ে উঠেছে হাট। বড় গরুর চাইতে মাঝারি গরুর চাহিদা অনেক বেশি।
 তবে হাটে প্রতিটি ছাগলের খাজনা বাবদ বিক্রেতা ও ক্রেতা কাছ থেকে ২৫০-২৫০টাকা হাসিল আদায়। যা সরকারী তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে ছাগলের মূল্য অনুসারে ১১০ থেকে ২২০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ২২-৫৫ টাকা।
অন্যদিকে ইজারাদাররা গরুর খাজনা বাবদ ক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করছে। যা সরকারি তালিকা অনুযায়ী নেওয়ার কথা ক্রেতার কাছ থেকে গরুর মূল্য অনুসারে ৩৩০-৬০০ টাকা এবং বিক্রেতার কাছ থেকে ৬০-১২০ টাকা।
হাটে আসা একজন গরু বিক্রেতা রফিক বলেন, আমার কাছে ৫০০ টাকা নিয়েছে। বিক্রেতাদের কাছ থেকে এত টাকা নেওয়া যুক্তিসঙ্গত না। হাটে প্রশাসনের কোনো নজরদারি নেই দেখে এভাবে ইজারাদাররা সবার কাছে বেশি টাকা নিচ্ছেন।
এদিকে এ হাটের ইজারা নেওয়া হয়েছে ২লক্ষ ৫১হাজার টাকা, যা বিগত সালে ছিলো ৫০-৬০ হাজার টাকায়।
কটিয়াদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন,তাদের বলা হয়েছে বিগতসালে যত করে খাজনা ছিলো সে হিসেবে নিতে। গরুর প্রতি ১ হাজার ও ছাগলে প্রতি ৫শ’ত টাকা খাজনা নেওয়ার প্রশ্ন করলে মাঈদুল ইসলাম বলেন, হায় হায় কি বলেন আমি তো জানি না, আমি এখনি ব্যবস্থা নিচ্ছি।