, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার-সমাজের সম্মিলিত প্রতিরোধের আহ্বান জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা থানা-পুলিশে অভিযোগ করেও লাভ হচ্ছে না, দাবি স্থানীয়দের লাইনচ্যুত বিজয় এক্সপ্রেসের ৩-বগি উদ্ধার, চলছে রেললাইন মেরামত কাউন্সিলর অফিসে হয়রানি বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন নগরভবন প্রশাসক লালপুরে বিনামূল্যে পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণ জমজমাট বৃহত্তম আমবাজার ‘সাপাহার’, প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ পরিবহনকে জরিমানা বিনাহালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক সেনা সদস্য নিহত
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

  • মোস্তাক আহমেদ
  • সর্বশেষ : ০৮:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৬৪ বার পঠিত

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৫শে আগস্ট) দুপুরে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের গাজীপুরের সহকারী পরিচালক এনামুল হক এর নেতৃত্বে ৪ সদস্যর একটি টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে হাসপাতালের কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়মিত অফিস না করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নার্স, ডাক্তারের বাথরুম পরিস্কার পাওয়া গেলেও রোগীদের বাথরুম অপরিস্কার পাওয়া গেছে। এন্টিবায়োটিক ওষুধের তালিকা রেজিস্ট্রারে নাই। অফিস কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিয়মিত হাসপাতালে আসেননা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন সকাল থেকেই ছদ্মবেশে কাজ করছিলেন। পরে দুপুরে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। বাজারে ওষুধ বিক্রিকরাসহ নানা অনিয়ম চোখে পড়ে দুদকের। অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, মূলত বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করে যাচাই করে দেখলাম, রোগীরা ঠিকমত ওষুধ পাচ্ছে না। জরুরী বিভাগে কোন রোগী সেলাই বা ব্যান্ডেজ করলে তাদের কাছ থেকে জোর করে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। একজনে যে পরিমাণ খাবার পাওয়ার কথা তার অর্ধেকও পাচ্ছে না। ৮ থেকে ১০ মাস যাবৎ রোগীদের শুধুমাত্র বয়লার মুরগি খাওয়ানো হচ্ছে। ৫০ জন রোগীর জন্য প্রায় ১০ কেজি পরিমাণ মাংস থাকার কথা সেখানে আমরা পরিমাপ করে জুল সহ ৪ কেজির মত পেয়েছি। টেন্ডারের কাগজ দেখাতে চাইলে তারা দেখায়নি। অফিস হিসাব রক্ষক অফিসারের অনুপস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে এসব কাগজ দেখাতে রাজি হয়নি। তিনি আরও বলেন, সরকারি ওষুধ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে বাজার থেকে ওষুধ ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়।
এছাড়া হাসপাতাল থেকে কর্মকর্তা, কর্মচারী যখন বের হন তারা বায়োমেট্রিক ব্যবহার করেননা। এতে করে কে কয়টায় বের হয় তার কোন হিসাব নাই। আমরা অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেবো। দুদকের অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।

আরও খবর :
জনপ্রিয়

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার-সমাজের সম্মিলিত প্রতিরোধের আহ্বান

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

সর্বশেষ : ০৮:৫৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২৫শে আগস্ট) দুপুরে কালীগঞ্জ পৌর এলাকার কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের গাজীপুরের সহকারী পরিচালক এনামুল হক এর নেতৃত্বে ৪ সদস্যর একটি টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে হাসপাতালের কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়মিত অফিস না করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নার্স, ডাক্তারের বাথরুম পরিস্কার পাওয়া গেলেও রোগীদের বাথরুম অপরিস্কার পাওয়া গেছে। এন্টিবায়োটিক ওষুধের তালিকা রেজিস্ট্রারে নাই। অফিস কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিয়মিত হাসপাতালে আসেননা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন সকাল থেকেই ছদ্মবেশে কাজ করছিলেন। পরে দুপুরে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। বাজারে ওষুধ বিক্রিকরাসহ নানা অনিয়ম চোখে পড়ে দুদকের। অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, মূলত বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করে যাচাই করে দেখলাম, রোগীরা ঠিকমত ওষুধ পাচ্ছে না। জরুরী বিভাগে কোন রোগী সেলাই বা ব্যান্ডেজ করলে তাদের কাছ থেকে জোর করে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। একজনে যে পরিমাণ খাবার পাওয়ার কথা তার অর্ধেকও পাচ্ছে না। ৮ থেকে ১০ মাস যাবৎ রোগীদের শুধুমাত্র বয়লার মুরগি খাওয়ানো হচ্ছে। ৫০ জন রোগীর জন্য প্রায় ১০ কেজি পরিমাণ মাংস থাকার কথা সেখানে আমরা পরিমাপ করে জুল সহ ৪ কেজির মত পেয়েছি। টেন্ডারের কাগজ দেখাতে চাইলে তারা দেখায়নি। অফিস হিসাব রক্ষক অফিসারের অনুপস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে এসব কাগজ দেখাতে রাজি হয়নি। তিনি আরও বলেন, সরকারি ওষুধ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে বাজার থেকে ওষুধ ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়।
এছাড়া হাসপাতাল থেকে কর্মকর্তা, কর্মচারী যখন বের হন তারা বায়োমেট্রিক ব্যবহার করেননা। এতে করে কে কয়টায় বের হয় তার কোন হিসাব নাই। আমরা অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেবো। দুদকের অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ, স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী প্রমুখ।