ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনই যেন বগুড়াবাসীর বিজয়

আব্দুল হান্নান, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৫৩ বার পঠিত
আব্দুল হান্নান, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৯ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিজ জেলা বগুড়ায় প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে অভাবনীয় উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা ও দূরদূরান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা মাঠে জড়ো হতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তিনি নওগাঁ থেকে বগুড়ায় পা রাখলে জনসমুদ্রে রূপ নেয় ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ। শহরের প্রবেশমুখ তিনমাথা মোড় থেকে শুরু করে শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা এবং ঘোড়া চত্বর হয়ে আলতাফুন্নেছা মাঠ পর্যন্ত আশপাশের কয়েক কিলোমিটার জুড়ে রাস্তার দু’পাশে নেতাকর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে তাঁকে স্বাগতম জানান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী তারেক রহমান দীর্ঘ নির্বাসন শেষে পৈত্রিক ভিটায় ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “নিজের ঘরে ফিরে কী বলব ভাষা হারিয়ে ফেলেছি”। “বনানী-মাটিডালি রাস্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল, গ্যাসের লাইন, এরকম আরও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, যা যা মানুষের প্রয়োজন আমরা বগুড়াবাসীর জন্য তা করার চেষ্টা করেছি। বগুড়া ছিল আমার কাছে একটি মডেল জেলার মতন। কারণ আমি সবসময় চিন্তা করতাম যে বাংলাদেশের ৬৩ জেলাকে কীভাবে সাজাব? কোনোদিন যদি আল্লাহ সুযোগ দেন, কোনোদিন যদি আল্লাহ রহমত দেন, তাহলে বাকি ৬৩টা জেলা কীভাবে সাজাবো এই কাজগুলো আমি বগুড়ায় করতাম। মানুষের একটি জেলার মৌলিক যে প্রয়োজনগুলো সেই মৌলিক প্রয়োজনগুলো ধীরে ধীরে আমরা বগুড়ায় তৈরি করেছিলাম। স্ত্রীর সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, বগুড়াবাসী যদি তার পাশে থাকে এবং মানসিক সমর্থন দেয়, তাহলে আগামী দিনে দেশকে শক্ত অবস্থানে নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি বগুড়ার উন্নয়নের কথা বলার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, আমরা বগুড়াবাসীর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করব না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়ের সঙ্গে বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার শুধু নিজেদের কথা ভাবলে চলবে না; বগুড়াবাসীকে পুরো দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনই যেন বগুড়াবাসীর বিজয়

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০২:১১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
আব্দুল হান্নান, শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ১৯ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিজ জেলা বগুড়ায় প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সাধারণ মানুষ ও দলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে অভাবনীয় উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর থেকেই বিভিন্ন উপজেলা ও দূরদূরান্ত থেকে আসা নেতাকর্মীরা মাঠে জড়ো হতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে তিনি নওগাঁ থেকে বগুড়ায় পা রাখলে জনসমুদ্রে রূপ নেয় ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ। শহরের প্রবেশমুখ তিনমাথা মোড় থেকে শুরু করে শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথা এবং ঘোড়া চত্বর হয়ে আলতাফুন্নেছা মাঠ পর্যন্ত আশপাশের কয়েক কিলোমিটার জুড়ে রাস্তার দু’পাশে নেতাকর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে তাঁকে স্বাগতম জানান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী তারেক রহমান দীর্ঘ নির্বাসন শেষে পৈত্রিক ভিটায় ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “নিজের ঘরে ফিরে কী বলব ভাষা হারিয়ে ফেলেছি”। “বনানী-মাটিডালি রাস্তা, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল, গ্যাসের লাইন, এরকম আরও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, যা যা মানুষের প্রয়োজন আমরা বগুড়াবাসীর জন্য তা করার চেষ্টা করেছি। বগুড়া ছিল আমার কাছে একটি মডেল জেলার মতন। কারণ আমি সবসময় চিন্তা করতাম যে বাংলাদেশের ৬৩ জেলাকে কীভাবে সাজাব? কোনোদিন যদি আল্লাহ সুযোগ দেন, কোনোদিন যদি আল্লাহ রহমত দেন, তাহলে বাকি ৬৩টা জেলা কীভাবে সাজাবো এই কাজগুলো আমি বগুড়ায় করতাম। মানুষের একটি জেলার মৌলিক যে প্রয়োজনগুলো সেই মৌলিক প্রয়োজনগুলো ধীরে ধীরে আমরা বগুড়ায় তৈরি করেছিলাম। স্ত্রীর সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, বগুড়াবাসী যদি তার পাশে থাকে এবং মানসিক সমর্থন দেয়, তাহলে আগামী দিনে দেশকে শক্ত অবস্থানে নেওয়া সম্ভব হবে। তিনি বগুড়ার উন্নয়নের কথা বলার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, আমরা বগুড়াবাসীর ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে গিয়ে অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করব না। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়ের সঙ্গে বর্তমান প্রেক্ষাপট ভিন্ন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবার শুধু নিজেদের কথা ভাবলে চলবে না; বগুড়াবাসীকে পুরো দেশের নেতৃত্ব দিতে হবে।