ঢাকা, বাংলাদেশ। , শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার

সরকারি রাস্তার গাছ অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ

‎আরিফুল ইসলাম, জয়পুরহাট
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০৮ বার পঠিত

‎আরিফুল ইসলাম, জয়পুরহাট: জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নে সরকারি রাস্তার গাছ অবৈধভাবে কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কচুর লতিহাটি মোড় থেকে পাটাবুকা আখড়া ঘাট পর্যন্ত সড়কের পাশে থাকা তিনটি মূল্যবান গাছ গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের বাসিন্দা এনামুল হক বাবুর বিরুদ্ধে। তিনি মৃত এরফান আলী প্রামানিকের পুত্র।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে গাছ কর্তনের সময় স্থানীয় জনতা ঘটনাটি টের পেয়ে বাধা দিলে গাছ কাটা বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিষয়টি উপজেলা বন বিভাগকে জানানো হলে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করেন।

‎সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সরকারি ওই রাস্তার পাশে থাকা একটি বড় কদম ও দুটি ইউক্যালিপটাস গাছ আগেই এক ব্যক্তির কাছে প্রায় ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে গাছ কাটার সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

‎পাটাবুকা গ্রামের বাসিন্দা নুর জাহিরুল ইসলাম বলেন, আমি ও মোখলেছার নামে একজন ওই রাস্তার পাশে তিনটি গাছ রোপণ করেছিলাম। ভবিষ্যতে গাছ কাটার প্রয়োজন হলে তা স্থানীয় ঈদগাহ মাঠের কাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই এনামুল হক বাবু গাছগুলো সমিতির মালিকানা দাবি করে বিক্রি করেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

‎অভিযোগের বিষয়ে এনামুল হক বাবু বলেন,

‎আখড়া ঘাট এলাকায় ব্রিজ নির্মাণকাজ চলমান। ঠিকাদারের অনুরোধে সমিতির রেজুলেশন অনুযায়ী গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে আমি সমিতির সভাপতি নই, কেবল একজন সাধারণ সদস্য।

‎ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমরা নদীতে ব্রিজ নির্মাণের কাজ করব। সরকারি রাস্তার গাছ কাটার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে আমরা কাউকে কোনো অনুরোধ করিনি।

‎পাঁচবিবি উপজেলা বন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করেছি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি অবৈধ প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি রাস্তার গাছ কোনো ব্যক্তি বা সমিতির মালিকানাধীন নয়। অনুমতি ছাড়া গাছ কর্তন বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

সরকারি রাস্তার গাছ অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৬:৩৯:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

‎আরিফুল ইসলাম, জয়পুরহাট: জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নে সরকারি রাস্তার গাছ অবৈধভাবে কেটে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কচুর লতিহাটি মোড় থেকে পাটাবুকা আখড়া ঘাট পর্যন্ত সড়কের পাশে থাকা তিনটি মূল্যবান গাছ গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে পশ্চিম বালিঘাটা গ্রামের বাসিন্দা এনামুল হক বাবুর বিরুদ্ধে। তিনি মৃত এরফান আলী প্রামানিকের পুত্র।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে গাছ কর্তনের সময় স্থানীয় জনতা ঘটনাটি টের পেয়ে বাধা দিলে গাছ কাটা বন্ধ হয়ে যায়। পরে বিষয়টি উপজেলা বন বিভাগকে জানানো হলে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করেন।

‎সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, সরকারি ওই রাস্তার পাশে থাকা একটি বড় কদম ও দুটি ইউক্যালিপটাস গাছ আগেই এক ব্যক্তির কাছে প্রায় ১২ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে গাছ কাটার সময় স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে প্রতিবাদ জানালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

‎পাটাবুকা গ্রামের বাসিন্দা নুর জাহিরুল ইসলাম বলেন, আমি ও মোখলেছার নামে একজন ওই রাস্তার পাশে তিনটি গাছ রোপণ করেছিলাম। ভবিষ্যতে গাছ কাটার প্রয়োজন হলে তা স্থানীয় ঈদগাহ মাঠের কাজে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই এনামুল হক বাবু গাছগুলো সমিতির মালিকানা দাবি করে বিক্রি করেন, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।

‎অভিযোগের বিষয়ে এনামুল হক বাবু বলেন,

‎আখড়া ঘাট এলাকায় ব্রিজ নির্মাণকাজ চলমান। ঠিকাদারের অনুরোধে সমিতির রেজুলেশন অনুযায়ী গাছ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে আমি সমিতির সভাপতি নই, কেবল একজন সাধারণ সদস্য।

‎ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আমরা নদীতে ব্রিজ নির্মাণের কাজ করব। সরকারি রাস্তার গাছ কাটার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে আমরা কাউকে কোনো অনুরোধ করিনি।

‎পাঁচবিবি উপজেলা বন কর্মকর্তা মহিউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করেছি। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি অবৈধ প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় বন বিভাগের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। সরকারি রাস্তার গাছ কোনো ব্যক্তি বা সমিতির মালিকানাধীন নয়। অনুমতি ছাড়া গাছ কর্তন বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।