ঢাকা, বাংলাদেশ।
,
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তাজা খবর
ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন
১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর
ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা
মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
জ্বালানি সংকটে অচল দেশ: পাম্পে সংঘর্ষ
কাউখালীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম
বৃষ্টিতে পানির নিচে পেঁয়াজ: কান্নায় ভেঙে পড়েছেন কৃষকরা
হরমুজ প্রণালি ও ইরানে শাসক পরিবর্তন নিয়ে মুখ খুললেন মার্কো রুবিও
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার প্যারাট্রুপার
কোচিং সেন্টারে প্রথম দেখা---
তিন বছরের সংসার—ভালোবাসার এক মানবিক গল্প

সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া
- সর্বশেষ পরিমার্জন: ১২:২০:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / ২৩০ বার পঠিত

সাদিকুল ইসলাম, বগুড়া: ভালোবাসা কখনো পরিকল্পনা করে আসে না, হঠাৎ করেই জীবনের গল্প বদলে দেয়। তেমনই এক মানবিক ভালোবাসার গল্পের সাক্ষী হলো একটি সাধারণ কোচিং সেন্টার।
২০২২ সালের ২০ মে, বড় ভাইয়ের সঙ্গে একটি কোচিং সেন্টারের ক্লাস পার্টিতে অংশ নিতে গিয়ে প্রথম দেখা হয় তরুণীর সঙ্গে এক তরুণের। প্রথম দেখাতেই ভালো লাগার অনুভূতি জন্ম নেয় তরুণের মনে। তবে তখন কোনো কথা হয়নি, শুধু দূর থেকেই দেখা।
পরবর্তীতে সময়ের ব্যবধানে দেখা হতে থাকে মাঝে মাঝে। অবশেষে ২০২২ সালের ১৩ আগস্ট প্রথমবার তাদের মধ্যে কথা হয়। তরুণ নাম্বার চাইলে তরুণী জানান, তার মোবাইল নেই।
এরপর কিছুদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকলেও মনের টান কমেনি।
এরপর আসে ২০২২ সালের ১৬ ডিসেম্বর। কোচিং সেন্টারের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুজনই।
সেদিন হঠাৎ তরুণী ফুল দিয়ে নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন সেই তরুণের কাছে। সেই মুহূর্ত থেকেই তাদের সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে যেতে শুরু করে।
সম্পর্কের বিষয়টি ধীরে ধীরে পরিবার জানায়। উভয় পরিবারের সম্মতি ও আলোচনার পর ২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারি তরুণীর পরিবার সেই তরুণের বাড়িতে যায় এবং বিয়ের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
অবশেষে ২০২৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আলহামদুলিল্লাহ, তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়।
আজ তিন বছর ধরে একই ছাদের নিচে সুখ-দুঃখ, অভিমান-ভালোবাসা মিলিয়ে একটি সুন্দর সংসার জীবন কাটাচ্ছেন তারা।
দম্পতির ভাষায়, “সংসারে ঝগড়া-অভিমান থাকলেও দিন শেষে ভালোবাসাই সব ভুলিয়ে দেয়। আমরা কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারি না।”
মানবিক এই ভালোবাসার গল্প যেন আগামী দিনগুলোতেও বিশ্বাস, ভালোবাসা ও আল্লাহর রহমতে অটুট থাকে—এটাই তাদের প্রত্যাশা।





















