
সরকার সালাউদ্দীন সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি (নীলফামারী) : নীলফামারীর সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার কলেজ গেটের সামনে এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
শিক্ষার্থী, প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কলেজের ফটকের পাশে ফুটপাতে গড়ে ওঠা একটি চায়ের দোকান থেকে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করে কয়েকজন লোক। বিষয়টি জানতে পেরে কলেজের শিক্ষার্থীরা চায়ের দোকান উচ্ছেদ করতে যান। এ সময় দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এলাকার লোকজন একজোট হয়ে কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান। তখন
শিক্ষার্থীরাও তাদের পাল্টা ধাওয়া করেন। আহত শিক্ষার্থী জওয়াদুল ইসলামের ভাষ্য, ফুটপাতের ওই দোকান থেকে আগেও ছাত্রীদের ইভটিজিং করা হয়েছিল। এ কারণে দোকান সরিয়ে নিতে বলেছিলেন দোকানিকে। বৃহস্পতিবারও অন্যত দোকান বসানোর অনুরোধ জানান। এ সময় স্থানীয় ছেলেরা এসে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনজনকে আটকে রাখেন। পরে সহপাঠীরা এগিয়ে এলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মিথ্যা দাবি করে
ইভটিজিংয়ের অভিযোগ দোকানি আতিয়ার রহমান বলেন, ছাত্ররা হঠাৎ এসে দোকানের বেঞ্চ-টেবিল ও খাবার পণ্য রাস্তায় ফেলে দেয়। তা দেখে স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে শিক্ষার্থীরা তাদের ওপর চড়াও হোন।
অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ বলেন, সংঘর্ষের পর স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি দোকান সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছেন। থানার ওসি ফইম উদ্দিনও একই কথা বলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















