, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার-সমাজের সম্মিলিত প্রতিরোধের আহ্বান জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা থানা-পুলিশে অভিযোগ করেও লাভ হচ্ছে না, দাবি স্থানীয়দের লাইনচ্যুত বিজয় এক্সপ্রেসের ৩-বগি উদ্ধার, চলছে রেললাইন মেরামত কাউন্সিলর অফিসে হয়রানি বন্ধ করার নির্দেশ দিলেন নগরভবন প্রশাসক লালপুরে বিনামূল্যে পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণ জমজমাট বৃহত্তম আমবাজার ‘সাপাহার’, প্রতিদিন কোটি টাকার লেনদেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ৩ পরিবহনকে জরিমানা বিনাহালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক সেনা সদস্য নিহত
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

ব্রহ্মপুত্রে তলিয়ে যাওয়া শিশু রাইশা, ৪৪ ঘণ্টা পর মিলল মরদেহ

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:   কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া রাইশা মনি (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন নদীর তীর থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত রাইশা মনি কাঁচকোল দক্ষিণ খামার এলাকার রাশেদুল ইসলামের মেয়ে এবং কাঁচকোল বাজার নবীজান নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সমবয়সী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে যায় রাইশা। একপর্যায়ে নদীর কিনারা থেকে কিছুটা দূরে চলে গেলে স্রোতের টানে পানিতে তলিয়ে যায় সে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তার সঙ্গে থাকা শিশুরা উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরে স্থানীয়দের খবর দেওয়া হলে রাতভর খোঁজাখুঁজি চালানো হয়।
খবর পেয়ে চিলমারী ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে রংপুর থেকে আসা ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় নদীতে অনুসন্ধান চালায়। তবে শিশুটির কোনো সন্ধান না পাওয়ায় নিখোঁজের পরদিন মঙ্গলবার উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করে ডুবুরি দল ফিরে যায়।
অবশেষে নিখোঁজের প্রায় ৪৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুরে কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের নদীতীরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে কাছে গিয়ে সেটি রাইশার মরদেহ বলে শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
রাইশার মরদেহ উদ্ধারের খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা ব্রহ্মপুত্র নদের ঝুঁকিপূর্ণ ঘাটগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের সঙ্গে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেছেন। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”
জনপ্রিয়

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার-সমাজের সম্মিলিত প্রতিরোধের আহ্বান

ব্রহ্মপুত্রে তলিয়ে যাওয়া শিশু রাইশা, ৪৪ ঘণ্টা পর মিলল মরদেহ

সর্বশেষ : ০৪:১৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:   কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া রাইশা মনি (৮) নামে এক শিশুর মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন নদীর তীর থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত রাইশা মনি কাঁচকোল দক্ষিণ খামার এলাকার রাশেদুল ইসলামের মেয়ে এবং কাঁচকোল বাজার নবীজান নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার বিকেল ৫টার দিকে সমবয়সী কয়েকজন শিশুর সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে যায় রাইশা। একপর্যায়ে নদীর কিনারা থেকে কিছুটা দূরে চলে গেলে স্রোতের টানে পানিতে তলিয়ে যায় সে। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তার সঙ্গে থাকা শিশুরা উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়। পরে স্থানীয়দের খবর দেওয়া হলে রাতভর খোঁজাখুঁজি চালানো হয়।
খবর পেয়ে চিলমারী ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে রংপুর থেকে আসা ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ সময় নদীতে অনুসন্ধান চালায়। তবে শিশুটির কোনো সন্ধান না পাওয়ায় নিখোঁজের পরদিন মঙ্গলবার উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করে ডুবুরি দল ফিরে যায়।
অবশেষে নিখোঁজের প্রায় ৪৪ ঘণ্টা পর মঙ্গলবার দুপুরে কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের নদীতীরে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে কাছে গিয়ে সেটি রাইশার মরদেহ বলে শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন।
রাইশার মরদেহ উদ্ধারের খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা ব্রহ্মপুত্র নদের ঝুঁকিপূর্ণ ঘাটগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের সঙ্গে উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করেছেন। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।”