, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
হালুয়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের ১ বছর করে  কারাদণ্ড সিরাজগঞ্জে ডা. বাকি মির্জা হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন শিশুর শ্লীলতাহানির অভিযোগ, রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা আমে ভালো দাম পেয়ে সন্তুষ্ট চাষি-ব্যবসায়ীরা ঢুলিভিটায় সড়ক ও জনপথের নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানে হামলা সুগন্ধা নদীতে সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা জোরালো ছাত্র-জনতা হত্যা মামলার কোন আসামির তথ্য পেলেই গ্রেপ্তার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আইসক্রিম তৈরি, অভিযানে জরিমানা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

সিরাজগঞ্জে ডা. বাকি মির্জা হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

মোঃ মাসুদ রেজা,সিরাজগঞ্জ :

সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডা. বাকি মির্জা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার জানপুর মহল্লার বাসিন্দা ও একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি জাকারিয়া মাসুদ (৪৩) এবং সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের খাগা গ্রামের আনোয়ার হোসেন কিরণ (৪৫)।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহানশাহ জানান, রায় ঘোষণার সময় আনোয়ার হোসেন কিরণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে অপর আসামি জাকারিয়া মাসুদ পলাতক রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মামলার আরেক আসামি ডা. আবদুল লতিফ হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করায় আদালতের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রয়েছে। রিভিশন নিষ্পত্তির পর তার বিরুদ্ধে বিচারকাজ পুনরায় শুরু হবে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল রাতে সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট চত্বরে সরকারি ব্যাচেলর কোয়ার্টারের নিজ কক্ষে ডা. বাকি মির্জাকে হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার এক আসামি রুহুল আমীন বাবু মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আদালতের এ রায়ে মামলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের নিষ্পত্তি হলো।

রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে মামলার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষে

র আইনজীবীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

আরও খবর :
জনপ্রিয়

হালুয়াঘাটে মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ জনের ১ বছর করে  কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জে ডা. বাকি মির্জা হত্যা মামলায় দুইজনের যাবজ্জীবন

সর্বশেষ : ০৬:০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

মোঃ মাসুদ রেজা,সিরাজগঞ্জ :

সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালের ডা. বাকি মির্জা হত্যা মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) দুপুরে সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক লায়লা শারমিন এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার জানপুর মহল্লার বাসিন্দা ও একটি ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি জাকারিয়া মাসুদ (৪৩) এবং সদর উপজেলার বহুলী ইউনিয়নের খাগা গ্রামের আনোয়ার হোসেন কিরণ (৪৫)।

আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) শামসুজ্জোহা শাহানশাহ জানান, রায় ঘোষণার সময় আনোয়ার হোসেন কিরণ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে অপর আসামি জাকারিয়া মাসুদ পলাতক রয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মামলার আরেক আসামি ডা. আবদুল লতিফ হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করায় আদালতের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রয়েছে। রিভিশন নিষ্পত্তির পর তার বিরুদ্ধে বিচারকাজ পুনরায় শুরু হবে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল রাতে সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট চত্বরে সরকারি ব্যাচেলর কোয়ার্টারের নিজ কক্ষে ডা. বাকি মির্জাকে হাত-পা বেঁধে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

এ ঘটনায় নিহতের স্বজনরা চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার এক আসামি রুহুল আমীন বাবু মৃত্যুবরণ করায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। দীর্ঘ ১৫ বছর পর আদালতের এ রায়ে মামলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের নিষ্পত্তি হলো।

রায়ের পর আদালত প্রাঙ্গণে মামলার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। রাষ্ট্রপক্ষে

র আইনজীবীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেও পলাতক আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।