, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

ফুলেল শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বিদায় জানানো হলো প্রিয় কবিকে।

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • সর্বশেষ : ০২:২৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭৯ বার পঠিত

filter: 0; jpegRotation: 90; fileterIntensity: 0.000000; filterMask: 0; module:1facing:0; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: NightHDR; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 0.0; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

আবু সাঈদ তুষার ঢাকা

১৪ ডিসেম্বর (২০২৪) শনিবার সকাল ১১টায় কবির মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। তার প্রথম জানাজা  হয় দুপুর ১২’০০ টায় বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে। জানাজা পড়ান কবির বড় ভাই দুলাল আবদুল হাফিজ। কবি হেলাল হাফিজ জানাজায় অংশ নিতে দেখা গেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং সচিব, বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারাও এসেছিলেন কবিকে বিদায় জানাতে। ছিলেন সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষও।

পরে বাদ জোহর জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় দফা জানাজার পর তার মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। সেখানে বিকাল ৪টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। কবি হেলাল হাফিজের জীবনের শেষ দিনগুলো কাটছিল ঢাকার শাহবাগের সুপার হোম নামের এক হোস্টেলে। তিনি বেছে নিয়েছেন এই একাকীত্বের জীবন। তিনি একা থাকা খুব বেশি পছন্দ করেন। শুক্রবার দুপুরে বাথরুমে পড়ে গেলে তার মাথায় রক্তক্ষরণ হয়। পাশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ৭ই অক্টোবর ১৯৪৮ সালে, মৃত্যু বরন করেন ১৩ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তার মৃত্যুতে শোকাহত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও তার অগনিত ভক্তবৃন্দরা।

আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ফুলেল শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় বিদায় জানানো হলো প্রিয় কবিকে।

সর্বশেষ : ০২:২৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৪

আবু সাঈদ তুষার ঢাকা

১৪ ডিসেম্বর (২০২৪) শনিবার সকাল ১১টায় কবির মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। তার প্রথম জানাজা  হয় দুপুর ১২’০০ টায় বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে। জানাজা পড়ান কবির বড় ভাই দুলাল আবদুল হাফিজ। কবি হেলাল হাফিজ জানাজায় অংশ নিতে দেখা গেছে অন্তর্বর্তী সরকারের সাংস্কৃতিক বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এবং সচিব, বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তারাও এসেছিলেন কবিকে বিদায় জানাতে। ছিলেন সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিকসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষও।

পরে বাদ জোহর জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় দফা জানাজার পর তার মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। সেখানে বিকাল ৪টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। কবি হেলাল হাফিজের জীবনের শেষ দিনগুলো কাটছিল ঢাকার শাহবাগের সুপার হোম নামের এক হোস্টেলে। তিনি বেছে নিয়েছেন এই একাকীত্বের জীবন। তিনি একা থাকা খুব বেশি পছন্দ করেন। শুক্রবার দুপুরে বাথরুমে পড়ে গেলে তার মাথায় রক্তক্ষরণ হয়। পাশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ৭ই অক্টোবর ১৯৪৮ সালে, মৃত্যু বরন করেন ১৩ই ডিসেম্বর ২০২৪ সালে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তার মৃত্যুতে শোকাহত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও তার অগনিত ভক্তবৃন্দরা।