, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

শ্যামনগরে সাংবাদিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাহসিকতার সহিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়

শ্যামনগরে ১৮ মার্চ সাংবাদিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সমাবেশে শ্যামনগর প্রেসক্লাব, সুন্দরবন প্রেসক্লাব, শ্যামনগর রিপোর্টার্স ক্লাব, উপকূলীয়  প্রেস ক্লাব,সীমান্ত প্রেস ক্লাব, অন লাইন পত্রিকার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সামিউল আলম মনিরের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রথম আলো পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলার নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, বিগত সরকারের আমলে আমি ৩৩ টা কেসের আসামি ছিলাম। কিন্তু, সাংবাদিকতা করতে কখনোই ভয় পাইনি।প্রশাসন প্রবীণ সাংবাদিকদের ম্যানেজ করলেও আমি তরুণ সাংবাদিকদের নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছি। ফলে তৎকালীন পুলিশ সুপার মনজুরুল আলম আমাকে অপহরণ করতে যেয়েও পারিনি। শেষ পর্যন্ত প্রেসক্লাবে এসে মাফ চেয়েছেন।দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদিকার নামে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মামলা করার পর এক সপ্তাহের মধ্যে মাফ চেয়ে সাতক্ষীরা থেকে বিদায় নেন।
সাতক্ষীরায় ১ আসন (তালা-কলারোয়া)-এর সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার আমি এজাহার ভুক্ত সাক্ষী ছিলাম। আমাকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে চাপ দেয়। আমি রাজি না হওযায় আমাকে সাক্ষী দিতে দেয়নি।
বর্তমান অর্ন্তবর্তী কালিণ সরকারের প্রতিনিধি না থাকায় কোন দলের সদস্য বা সদস্য না হয়েও দলীয়  পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে যাচ্ছে। বিপদে পড়লে কোন কোন দলীয় নেতার সাহায্য পাচ্ছে। অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে সাংবাদিকরা সোচ্ছার থাকার   কারণে পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রেণ ছিল। কিন্তু, বর্তমানে সেটা হচ্ছে না। থানায় বললে তারা বলেন,আমরা  আস্থার সংকটে আছি। অথচ, থানায় একটি মিথ্যা কেস করতে গেলে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। এজন্য সকল ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে জোরালো ভূমিকা  রাখতে হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ডিবিসির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন এবং শ্যামনগরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

শ্যামনগরে সাংবাদিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত সাহসিকতার সহিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয়

সর্বশেষ : ১০:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫
শ্যামনগরে ১৮ মার্চ সাংবাদিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সমাবেশে শ্যামনগর প্রেসক্লাব, সুন্দরবন প্রেসক্লাব, শ্যামনগর রিপোর্টার্স ক্লাব, উপকূলীয়  প্রেস ক্লাব,সীমান্ত প্রেস ক্লাব, অন লাইন পত্রিকার কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সামিউল আলম মনিরের সভাপতিতে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রথম আলো পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলার নিজস্ব প্রতিনিধি কল্যাণ ব্যানার্জি। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, বিগত সরকারের আমলে আমি ৩৩ টা কেসের আসামি ছিলাম। কিন্তু, সাংবাদিকতা করতে কখনোই ভয় পাইনি।প্রশাসন প্রবীণ সাংবাদিকদের ম্যানেজ করলেও আমি তরুণ সাংবাদিকদের নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছি। ফলে তৎকালীন পুলিশ সুপার মনজুরুল আলম আমাকে অপহরণ করতে যেয়েও পারিনি। শেষ পর্যন্ত প্রেসক্লাবে এসে মাফ চেয়েছেন।দৈনিক পত্রদূত পত্রিকার সম্পাদিকার নামে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মামলা করার পর এক সপ্তাহের মধ্যে মাফ চেয়ে সাতক্ষীরা থেকে বিদায় নেন।
সাতক্ষীরায় ১ আসন (তালা-কলারোয়া)-এর সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার গাড়ি বহরে হামলা মামলার আমি এজাহার ভুক্ত সাক্ষী ছিলাম। আমাকে মিথ্যা সাক্ষী দিতে চাপ দেয়। আমি রাজি না হওযায় আমাকে সাক্ষী দিতে দেয়নি।
বর্তমান অর্ন্তবর্তী কালিণ সরকারের প্রতিনিধি না থাকায় কোন দলের সদস্য বা সদস্য না হয়েও দলীয়  পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করে যাচ্ছে। বিপদে পড়লে কোন কোন দলীয় নেতার সাহায্য পাচ্ছে। অতীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে সাংবাদিকরা সোচ্ছার থাকার   কারণে পরিস্থিতি অনেক নিয়ন্ত্রেণ ছিল। কিন্তু, বর্তমানে সেটা হচ্ছে না। থানায় বললে তারা বলেন,আমরা  আস্থার সংকটে আছি। অথচ, থানায় একটি মিথ্যা কেস করতে গেলে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই। এজন্য সকল ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থেকে জোরালো ভূমিকা  রাখতে হবে।
উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, ডিবিসির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি বিল্লাল হোসেন এবং শ্যামনগরের বিভিন্ন সাংবাদিক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।