, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

সুন্দরবন থেকে ৫০ কেজি  হরিণের মাংস উদ্ধার পালাল শিকারীর দল 

সুন্দরবনের গহীনে অবৈধ হরিণ শিকারের ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়তই। বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে। তবে হরিণ শিকারীরা অভিযান জানতে পেরে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়। যানাগেছে, আজ বৃহস্পতিবার(২৭ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে কোবাদক স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনের সন্যাসির খাল থেকে ৫০ কেজি   হরিণের মাংস সহ নৌকা উদ্ধার করা হয়। কোবাদক ষ্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন যানান, সুন্দরবনের সন্যসির খালে নিয়মিত টহলে কালে দূর থেকে একটি নৌকা দেখতে পেয়ে তাদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করি। তাদের দেখে সন্দেহ হলে তাদের  নৌকা থামাতে বললে । তারা নৌকা ফেলে সুন্দরবনের গহীনে পলিয়ে যায়। পরে ফেলে যাওয়া  নৌকার  কাছে গিয়ে নৌকা তল্লাসী করে হরিণের  মাংস ও সরঞ্জমাদী জব্দ করি।  তবে হরিণ শিকারীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে তিনি যানায়। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ( ডিএফও) এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে বন্যপ্রানী নিধন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হরিণের মাংস পচনশীল হওয়ায় কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে  মাটিতে পুতে বিনষ্ট করা  হয়েছে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

সুন্দরবন থেকে ৫০ কেজি  হরিণের মাংস উদ্ধার পালাল শিকারীর দল 

সর্বশেষ : ০৬:২০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
সুন্দরবনের গহীনে অবৈধ হরিণ শিকারের ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়তই। বন বিভাগ অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে। তবে হরিণ শিকারীরা অভিযান জানতে পেরে সুন্দরবনের গহীনে পালিয়ে যায়। যানাগেছে, আজ বৃহস্পতিবার(২৭ মার্চ) সকাল ১১ টার দিকে কোবাদক স্টেশন কর্মকর্তা মোঃ আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সুন্দরবনের সন্যাসির খাল থেকে ৫০ কেজি   হরিণের মাংস সহ নৌকা উদ্ধার করা হয়। কোবাদক ষ্টেশন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন যানান, সুন্দরবনের সন্যসির খালে নিয়মিত টহলে কালে দূর থেকে একটি নৌকা দেখতে পেয়ে তাদের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করি। তাদের দেখে সন্দেহ হলে তাদের  নৌকা থামাতে বললে । তারা নৌকা ফেলে সুন্দরবনের গহীনে পলিয়ে যায়। পরে ফেলে যাওয়া  নৌকার  কাছে গিয়ে নৌকা তল্লাসী করে হরিণের  মাংস ও সরঞ্জমাদী জব্দ করি।  তবে হরিণ শিকারীদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রক্রিয়া চলমান আছে বলে তিনি যানায়। সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ( ডিএফও) এজেডএম হাছানুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে বন্যপ্রানী নিধন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত হরিণের মাংস পচনশীল হওয়ায় কয়রা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে  মাটিতে পুতে বিনষ্ট করা  হয়েছে।