, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

সাঘাটায় যৌতুকের দাবীতে পাষণ্ড স্বামী গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

  • রনি আহমেদ
  • সর্বশেষ : ০৫:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
  • ৫৪ বার পঠিত
গাইবান্ধার সাঘাটায় পাষান্ড স্বামী কতৃক যৌতুকের দাবীকৃত ২ লাখ টাকা দিতে না পারায় মুনজিলা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম শেষে গলাটিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর আত্মচিৎকারে লোকজন এগিয়ে গেলে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সাঘাটা থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সাঘাটা উপজেলা শহরের সন্নিকটে খামার পবনতাইড় গ্রামের আব্দুল হামিদ মাষ্টারের ছেলে জাহাঙ্গীর কবিরের সাথে পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার দহপাড়া গ্রামের শামছুল হক মুন্সির মেয়ে মুনজিলা আক্তারের সাথে গত প্রায় ৫বছর পূর্বে বিয়ে হয়,বিয়ের পর ঘর সাজানোর জন্য মুনজিলার বাবারবাড়ী থেকে নগদ একলাখ টাকা ও আসবাব পত্র উপঢৌকন হিসেবে প্রদান করে। সংসার জীবনে তাদের দুটি পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে।
কিন্ত বেশ কিছুদিন ধরে মুনজিলার শ্বাশুরীর কু -পরামর্শ জাহাঙ্গীর কবির মুনজিলাকে যৌতুক হিসেবে ২লাখ টাকা আনতে বলে, এতে যৌতুকের টাকা না নিয়ে আসায় তাকে তার পাষান্ড স্বামী বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন ও মারপিট করে। তার পরেও দুটি সন্তানের ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা করে মুখ বুঝে সংসার করতে থাকে মুনজিলা।
এরিই এক পর্যায়ে গত ২০/০৪/২০২৫ইং সকালে তার পাষান্ড স্বামী জাহাঙ্গীর কবির পুনরায় যৌতুকের টাকা দাবী করে,এতে মুনজিলা বাবার বাড়ী থেকে টাকা আনতে পারবেনা বলে জানালে মুনজিলাকে বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে এলোপাথারী পিটিয়ে গুরুতর জখম শেষ গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে মনজিলা আত্মচিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ওই দিনই সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।এ ঘটনায় রাতেই মুনজিলার পিতা বাদী হয়ে রাতেই মামলা দায়েরের জন্য এজাহার দাখিল করলে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বাদশা আলম  এস, আই ময়নুলকে ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়।
সেই অনুযায়ী হাসপাতালে আগত রোগীর জখমস্থান গুলো দেখেন এবং তদন্ত করেন। এঘটনায় ৩দিন পেরিয়ে গেলেও আসামী পক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা দায়েরে, ভয়ভীতি দেখিয়ে,প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় ঘটনার ৩দিন পরিয়ে গেলেও আজও মামলা দায়ের হয়নি।  এ বিষয়ে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বাদশা আলম সাংবাদিকদের জানান, এঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

সাঘাটায় যৌতুকের দাবীতে পাষণ্ড স্বামী গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

সর্বশেষ : ০৫:৫৬:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৫
গাইবান্ধার সাঘাটায় পাষান্ড স্বামী কতৃক যৌতুকের দাবীকৃত ২ লাখ টাকা দিতে না পারায় মুনজিলা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম শেষে গলাটিপে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর আত্মচিৎকারে লোকজন এগিয়ে গেলে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সাঘাটা থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সাঘাটা উপজেলা শহরের সন্নিকটে খামার পবনতাইড় গ্রামের আব্দুল হামিদ মাষ্টারের ছেলে জাহাঙ্গীর কবিরের সাথে পার্শ্ববর্তী শিবগঞ্জ উপজেলার দহপাড়া গ্রামের শামছুল হক মুন্সির মেয়ে মুনজিলা আক্তারের সাথে গত প্রায় ৫বছর পূর্বে বিয়ে হয়,বিয়ের পর ঘর সাজানোর জন্য মুনজিলার বাবারবাড়ী থেকে নগদ একলাখ টাকা ও আসবাব পত্র উপঢৌকন হিসেবে প্রদান করে। সংসার জীবনে তাদের দুটি পুত্র সন্তান জন্মলাভ করে।
কিন্ত বেশ কিছুদিন ধরে মুনজিলার শ্বাশুরীর কু -পরামর্শ জাহাঙ্গীর কবির মুনজিলাকে যৌতুক হিসেবে ২লাখ টাকা আনতে বলে, এতে যৌতুকের টাকা না নিয়ে আসায় তাকে তার পাষান্ড স্বামী বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন ও মারপিট করে। তার পরেও দুটি সন্তানের ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা করে মুখ বুঝে সংসার করতে থাকে মুনজিলা।
এরিই এক পর্যায়ে গত ২০/০৪/২০২৫ইং সকালে তার পাষান্ড স্বামী জাহাঙ্গীর কবির পুনরায় যৌতুকের টাকা দাবী করে,এতে মুনজিলা বাবার বাড়ী থেকে টাকা আনতে পারবেনা বলে জানালে মুনজিলাকে বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে এলোপাথারী পিটিয়ে গুরুতর জখম শেষ গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে মনজিলা আত্মচিৎকার শুনে লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে ওই দিনই সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।এ ঘটনায় রাতেই মুনজিলার পিতা বাদী হয়ে রাতেই মামলা দায়েরের জন্য এজাহার দাখিল করলে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বাদশা আলম  এস, আই ময়নুলকে ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়।
সেই অনুযায়ী হাসপাতালে আগত রোগীর জখমস্থান গুলো দেখেন এবং তদন্ত করেন। এঘটনায় ৩দিন পেরিয়ে গেলেও আসামী পক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা দায়েরে, ভয়ভীতি দেখিয়ে,প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় ঘটনার ৩দিন পরিয়ে গেলেও আজও মামলা দায়ের হয়নি।  এ বিষয়ে সাঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ বাদশা আলম সাংবাদিকদের জানান, এঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।