, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড বাড়িঘর, গাছপালা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন গঙ্গাচড়া

গঙ্গাচড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড হয়েছে বাড়িঘর ও গাছপালা। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মানুষের ঘরবাড়ি এবং গাছপালার। বিদ্যুতের পোল ভেঙ্গে সারা উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাত ১০ টার দিকে উপজেলার নয় ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া
কালবৈশাখী ঝড়ে উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা। নষ্ট হয়েছে শত শত বাড়িঘর। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উঠতি ফসল ভুট্টা খেতের । মাটির সাথে মিশে গেছে ভুট্টা ও বোরো ধান খেত।

ছালাপাক এলাকার কৃষক শহিদার রহমান জানান, তার ৩ বিঘা জমির ভুট্টা খেত সম্পুর্ণরুপে ভেঙ্গে গেছে। এতে তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কিসামত হাবু গ্রামের কৃষক ফেরদৌস বলেন. তার ২০ শতক জমির ধান মাটিতে মিশে গেছে।

বড়বিল ইউনিয়নের ফরিদুল ইসলাম ভুট্টু জানান, তার পোল্ট্রি খামারের ঘর ভেঙ্গে গিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

লক্ষ্মটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, তার ইউনিয়নে ২০০ থেকে ২৫০ ঘরবাড়ি ভেঙ্গে
গেছে।

নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বলেন, তার ইউনিয়নে ৫০০ থেকে ৫৫০ পরিবারের বাড়িঘর নষ্ট হয়েছে। অসংখ্য গাছপালা উপড়ে ও ভেঙ্গে গেছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিশেষ করে চেংমারী, ছালাপাক, রাজবল্লভ , রমাকান্ত , গাউছিয়া বাজার, হাবু ,বালারঘাট ও তিস্তা তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ঝরে ক্ষতি হওয়া দৃশ্য। হাজার হাজার গাছপালা ভেঙ্গে গেছে।

চেংমারী ডিপেরপাড় গ্রামের হবিবর রহমান বলেন, তার একমাত্র টিনের চালার টিন সম্পুর্ণরুপে উড়ে গেছে। রাত থেকে উদম আকাশের নীচে বাস করছে।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এর এজিএম খাদেমুল ইসলাম বলেন, ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে কাজ চলছে। কখন ঠিক হবে বলা মুষ্কিল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজিবুল করিম বলেন, ঝড়ে উপজেলার নয় ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার পরিবারের বাড়িঘর নষ্ট হয়েছে। অনেকের অবস্থা করুন।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে, উপজেলানির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, গংগাচড়া উপজেলার লোকজন খুবেই গরীব, কালবৈশাখী ঝড়ে তাদের যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খুবেই দুঃখজনক।

আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ডভন্ড বাড়িঘর, গাছপালা ও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন গঙ্গাচড়া

সর্বশেষ : ০৫:৩৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

গঙ্গাচড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে লন্ড ভন্ড হয়েছে বাড়িঘর ও গাছপালা। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে মানুষের ঘরবাড়ি এবং গাছপালার। বিদ্যুতের পোল ভেঙ্গে সারা উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার রাত ১০ টার দিকে উপজেলার নয় ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া
কালবৈশাখী ঝড়ে উপড়ে পড়েছে হাজার হাজার গাছপালা। নষ্ট হয়েছে শত শত বাড়িঘর। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উঠতি ফসল ভুট্টা খেতের । মাটির সাথে মিশে গেছে ভুট্টা ও বোরো ধান খেত।

ছালাপাক এলাকার কৃষক শহিদার রহমান জানান, তার ৩ বিঘা জমির ভুট্টা খেত সম্পুর্ণরুপে ভেঙ্গে গেছে। এতে তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কিসামত হাবু গ্রামের কৃষক ফেরদৌস বলেন. তার ২০ শতক জমির ধান মাটিতে মিশে গেছে।

বড়বিল ইউনিয়নের ফরিদুল ইসলাম ভুট্টু জানান, তার পোল্ট্রি খামারের ঘর ভেঙ্গে গিয়ে প্রায় ৩ লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

লক্ষ্মটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, তার ইউনিয়নে ২০০ থেকে ২৫০ ঘরবাড়ি ভেঙ্গে
গেছে।

নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বলেন, তার ইউনিয়নে ৫০০ থেকে ৫৫০ পরিবারের বাড়িঘর নষ্ট হয়েছে। অসংখ্য গাছপালা উপড়ে ও ভেঙ্গে গেছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা বিশেষ করে চেংমারী, ছালাপাক, রাজবল্লভ , রমাকান্ত , গাউছিয়া বাজার, হাবু ,বালারঘাট ও তিস্তা তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ঝরে ক্ষতি হওয়া দৃশ্য। হাজার হাজার গাছপালা ভেঙ্গে গেছে।

চেংমারী ডিপেরপাড় গ্রামের হবিবর রহমান বলেন, তার একমাত্র টিনের চালার টিন সম্পুর্ণরুপে উড়ে গেছে। রাত থেকে উদম আকাশের নীচে বাস করছে।
রংপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি -২ এর এজিএম খাদেমুল ইসলাম বলেন, ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে কাজ চলছে। কখন ঠিক হবে বলা মুষ্কিল।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সজিবুল করিম বলেন, ঝড়ে উপজেলার নয় ইউনিয়নে প্রায় দুই হাজার পরিবারের বাড়িঘর নষ্ট হয়েছে। অনেকের অবস্থা করুন।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে, উপজেলানির্বাহী অফিসার মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, গংগাচড়া উপজেলার লোকজন খুবেই গরীব, কালবৈশাখী ঝড়ে তাদের যে পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা খুবেই দুঃখজনক।