, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

কিশোরগঞ্জে বোরো বীজের বরাদ্দে নেই কোন কমতি 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • সর্বশেষ : ০৯:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৮০ বার পঠিত
সাইফুল্লাহ সাইফ কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে বোরো বীজের বরাদ্দে নেই কোন কমতি। এখনো ডিলার এবং কৃষক পর্যায়ে নিতে পারবে বোরো বীজ। কিশোরগঞ্জ একটি হাওর বেষ্টিত এলাকা এবং এই এলাকার অধিকাংশ মানুষের আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে কৃষি। তাই এখানকার কৃষক নিজেকে উজাড় করে দেন বোরো আবাদে। তাই অন্য জেলা থেকে এই জেলায় বীজের বরাদ্দও বেশি থাকে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) বীজ বিপণন কিশোরগঞ্জ এর উপ-পরিচালক এ কে এম মনিরুজ্জামান জানান, বিএডিসি বীজ বিপণন কিশোরগঞ্জে এবার ৩ হাজার ১০০ মেট্রিক টন বীজ বরাদ্দ হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬০০ মেট্রিক টন বিক্রি হয়েছে এবং ১৫০০ মেট্রিক টন বীজ মজুদ রয়েছে। তবে কিছু স্বার্থন্বেষী মহল  থেকে বীজের ক্রাইসিস বলে একটি অপপ্রচার চালাচ্ছে যেটি সত্য নয়। বীজ বরাদ্দ বিষয়টি প্রত্যেক উপজেলা থেকে কোন জাতের বোরো ধানের কতটুকু বীজ চাষ হয়,  সেখানের ডিলার সংখ্যা এবং বিএডিসি থেকে বরাদ্দকৃত বীজের পরিমাণ এই ৩টা বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে জেলা প্রশাসককে সার্বিক বিষয় অবহিত করে উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি) ও আমি উপ-পরিচালক বিএডিসি ( বীজ বিপণন) যৌথ স্বাক্ষর করে এই বীজ বিতরণের কাজটি করি। সুতরাং এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের কৃষক রতন মিয়া জানান, আমরা আগের বারোও কৃষি অফিস থেকেও বীজ এনে বোরো ফসল করেছিলাম, অনেক ভালো ফসল হয়েছে। তাই  আবারও কৃষি অফিস থেকে ভালো বীজ এনে বীজতলা করেছি। কিছুদিনের মধ্যেই লাগানো শুরু করবো।
 ডিলার মো: রাজিব জানান, আমি একজন বিএসডিসি ডিলার। কয়েকজনের কাছে শুনলাম ডিলারদের বীজ আনতে গেলে নাকি টাকা পয়সা লাগে, কিন্তু আমাদের কোনদিন এসব টাকা পয়সা লাগে নাই বা আমাদের কাছে কেউ কোনদিন চাইও নাই। আমাদের যে পরিমাণ বীজ দরকার সেই সে পরিমাণ বীজ সিরিয়ালে পেয়েছি।
কোন  দুর্নীতি ও অনিয়ম দেখি নাই। কিশোরগঞ্জে এবার ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ মাত্রা ধরা  হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো চাষে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে এবার রেকর্ড পরিমান ধানের উৎপাদন হবে। এ বছর প্রায় ৭ লাখ ৩৭ হাজার ২ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে আশা করা হচ্ছে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

কিশোরগঞ্জে বোরো বীজের বরাদ্দে নেই কোন কমতি 

সর্বশেষ : ০৯:৪৪:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
সাইফুল্লাহ সাইফ কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে বোরো বীজের বরাদ্দে নেই কোন কমতি। এখনো ডিলার এবং কৃষক পর্যায়ে নিতে পারবে বোরো বীজ। কিশোরগঞ্জ একটি হাওর বেষ্টিত এলাকা এবং এই এলাকার অধিকাংশ মানুষের আয়ের প্রধান উৎস হচ্ছে কৃষি। তাই এখানকার কৃষক নিজেকে উজাড় করে দেন বোরো আবাদে। তাই অন্য জেলা থেকে এই জেলায় বীজের বরাদ্দও বেশি থাকে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) বীজ বিপণন কিশোরগঞ্জ এর উপ-পরিচালক এ কে এম মনিরুজ্জামান জানান, বিএডিসি বীজ বিপণন কিশোরগঞ্জে এবার ৩ হাজার ১০০ মেট্রিক টন বীজ বরাদ্দ হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬০০ মেট্রিক টন বিক্রি হয়েছে এবং ১৫০০ মেট্রিক টন বীজ মজুদ রয়েছে। তবে কিছু স্বার্থন্বেষী মহল  থেকে বীজের ক্রাইসিস বলে একটি অপপ্রচার চালাচ্ছে যেটি সত্য নয়। বীজ বরাদ্দ বিষয়টি প্রত্যেক উপজেলা থেকে কোন জাতের বোরো ধানের কতটুকু বীজ চাষ হয়,  সেখানের ডিলার সংখ্যা এবং বিএডিসি থেকে বরাদ্দকৃত বীজের পরিমাণ এই ৩টা বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে জেলা প্রশাসককে সার্বিক বিষয় অবহিত করে উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি) ও আমি উপ-পরিচালক বিএডিসি ( বীজ বিপণন) যৌথ স্বাক্ষর করে এই বীজ বিতরণের কাজটি করি। সুতরাং এখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের কৃষক রতন মিয়া জানান, আমরা আগের বারোও কৃষি অফিস থেকেও বীজ এনে বোরো ফসল করেছিলাম, অনেক ভালো ফসল হয়েছে। তাই  আবারও কৃষি অফিস থেকে ভালো বীজ এনে বীজতলা করেছি। কিছুদিনের মধ্যেই লাগানো শুরু করবো।
 ডিলার মো: রাজিব জানান, আমি একজন বিএসডিসি ডিলার। কয়েকজনের কাছে শুনলাম ডিলারদের বীজ আনতে গেলে নাকি টাকা পয়সা লাগে, কিন্তু আমাদের কোনদিন এসব টাকা পয়সা লাগে নাই বা আমাদের কাছে কেউ কোনদিন চাইও নাই। আমাদের যে পরিমাণ বীজ দরকার সেই সে পরিমাণ বীজ সিরিয়ালে পেয়েছি।
কোন  দুর্নীতি ও অনিয়ম দেখি নাই। কিশোরগঞ্জে এবার ১ লক্ষ ৬৮ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ মাত্রা ধরা  হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বোরো চাষে অতীতের সকল রেকর্ড ভেঙ্গে এবার রেকর্ড পরিমান ধানের উৎপাদন হবে। এ বছর প্রায় ৭ লাখ ৩৭ হাজার ২ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হবে আশা করা হচ্ছে।