, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

তদারকির গাফিলতি আর উদাসীনতায় লাখের ঘর অতিক্রম করল ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা! 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • সর্বশেষ : ০৬:১৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭১ বার পঠিত
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:কর্তৃপক্ষের তদারকি  গাফিলতি আর উদাসীনতায় লাখের ঘর অতিক্রম করল ডেঙ্গু রোগী।  উল্লেখযোগ্য ভাবে বলা যেতে পারে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কয়েক বছর ধরে এশিয়া মহাদেশের মধ্য বাংলাদেশে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে যার ফলে প্রতিবছরেই  বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানি ঘটছে, আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য রোগী।  সারা বছরই চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীদের যে কোন হাসপাতালে গেলে উল্লেখযোগ্য ভাবে নজরে পড়ছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে চলতি বছরএক লক্ষের ঘর অতিক্রম করেছে আক্রান্তের  সংখ্যা  সাথে আজকের দিন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৬১ জন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা  বলছেন ডেঙ্গু আক্রান্তের  অন্তরালে রয়েছে  অসচেতনতা গুরুত্বহীন পরিবেশ দূষণ সাথে নানা আতঙ্ক একই সাথে উদাসীনতা রয়েছে প্রতিটি জেলার নগর ভবনের ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে শহর জুড়ে ড্রেন নর্দমায় দীর্ঘদিন জমে থাকা ময়লা পানি ও পয়নিষ্কাশন মশা নিধনের কার্যক্রম ফলে এডিস মশাবাহী মশার প্রজনন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এডিস মশা ও ডেঙ্গু রোগ গ্রাম থেকে  শহর কেন্দ্রিক পরিলক্ষিত হচ্ছে বেশি। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত একদিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহী রোগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৬১ জনে। এছাড়া গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪১ জন। তাদের নিয়ে এ বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত ১ লাখ ২৯ জনে দাঁড়াল। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত একদিনে ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) একজন সহ সারা দেশে তিনজন এ রোগের কাছে হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঢাকার বাইরে যে দুজন মারা গেছে তারা  বরিশাল ও খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় খুুলনা সহ সারাদেশে ৫৬১ জন  আক্রান্ত হয়ে দেশের ৮ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তার মধ্য খুলনা বিভাগে ১১ জন, ঢাকা বিভাগে মোট ৯২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ৩৫ জন করে ৭০ জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন। অন্যদিকে এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৩ জন ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৫৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এই সময়ে মশাবাহিত রোগটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৯ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায়। ডিএসসিসিতে মশাবাহিত রোগটিতে চলতি বছর মোট ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৩ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে ৩৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন ছাড়াও রংপুর বিভাগে ৩ জন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন মারা গেছেন। সবকিছু মিলে ডেঙ্গুর ওপর আলোকপাত রেখে দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞ কর্তাগণ স্থানীয় সরকার ও সাধারণ জনগণের  গাফিলতিকে দায়ী করেছে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

তদারকির গাফিলতি আর উদাসীনতায় লাখের ঘর অতিক্রম করল ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা! 

সর্বশেষ : ০৬:১৮:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
বিপ্লব সাহা, খুলনা ব্যুরো:কর্তৃপক্ষের তদারকি  গাফিলতি আর উদাসীনতায় লাখের ঘর অতিক্রম করল ডেঙ্গু রোগী।  উল্লেখযোগ্য ভাবে বলা যেতে পারে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশ কয়েক বছর ধরে এশিয়া মহাদেশের মধ্য বাংলাদেশে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে যার ফলে প্রতিবছরেই  বেশ কিছু মানুষের প্রাণহানি ঘটছে, আক্রান্ত হচ্ছে অসংখ্য রোগী।  সারা বছরই চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত রোগীদের যে কোন হাসপাতালে গেলে উল্লেখযোগ্য ভাবে নজরে পড়ছে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে চলতি বছরএক লক্ষের ঘর অতিক্রম করেছে আক্রান্তের  সংখ্যা  সাথে আজকের দিন পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ৫৬১ জন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা  বলছেন ডেঙ্গু আক্রান্তের  অন্তরালে রয়েছে  অসচেতনতা গুরুত্বহীন পরিবেশ দূষণ সাথে নানা আতঙ্ক একই সাথে উদাসীনতা রয়েছে প্রতিটি জেলার নগর ভবনের ঊর্ধ্বতন  কর্তৃপক্ষের গাফিলতি রয়েছে শহর জুড়ে ড্রেন নর্দমায় দীর্ঘদিন জমে থাকা ময়লা পানি ও পয়নিষ্কাশন মশা নিধনের কার্যক্রম ফলে এডিস মশাবাহী মশার প্রজনন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে আর এডিস মশা ও ডেঙ্গু রোগ গ্রাম থেকে  শহর কেন্দ্রিক পরিলক্ষিত হচ্ছে বেশি। বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত একদিনে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর মশাবাহী রোগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫৬১ জনে। এছাড়া গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪১ জন। তাদের নিয়ে এ বছর মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত ১ লাখ ২৯ জনে দাঁড়াল। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত একদিনে ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) একজন সহ সারা দেশে তিনজন এ রোগের কাছে হার মেনে মৃত্যুবরণ করেছেন। ঢাকার বাইরে যে দুজন মারা গেছে তারা  বরিশাল ও খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় খুুলনা সহ সারাদেশে ৫৬১ জন  আক্রান্ত হয়ে দেশের ৮ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তার মধ্য খুলনা বিভাগে ১১ জন, ঢাকা বিভাগে মোট ৯২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে ৩৫ জন করে ৭০ জন এবং সিটি করপোরেশনের বাইরে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২ জন। অন্যদিকে এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৩ জন ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে ১২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৫৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এই সময়ে মশাবাহিত রোগটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৯ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায়। ডিএসসিসিতে মশাবাহিত রোগটিতে চলতি বছর মোট ২৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ১০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৩ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে ৩৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮ জন ছাড়াও রংপুর বিভাগে ৩ জন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ডেঙ্গুতে একজন মারা গেছেন। সবকিছু মিলে ডেঙ্গুর ওপর আলোকপাত রেখে দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞ কর্তাগণ স্থানীয় সরকার ও সাধারণ জনগণের  গাফিলতিকে দায়ী করেছে।