, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

লালমনিরহাটে ‘পুশ ইনে’ ব্যর্থ বিএসএফ, সীমান্তে আলো

লালমনিরহাটের তিনটি উপজেলার পাঁচটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বুধবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অন্তত ৫৭ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের একটি প্রচেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় জনতা।

দিনভর উত্তেজনার পর (২৮মে) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সীমান্ত এলাকার আলো নিভিয়ে দিয়ে পুশইনের শিকার হওয়া এসব মানুষকে ভারতীয় ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরের দিকে প্রায় একই সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে এই ৫৭ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি সদস্যদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং তাদের সাথে যোগ দেওয়া স্থানীয় গ্রামবাসীদের সম্মিলিত বাধার মুখে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

পুশইনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা দিনভর কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে ভারতীয় অংশে খোলা আকাশের নিচে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। পরবর্তীতে, রাতের অন্ধকারে সীমান্ত এলাকার লাইট বন্ধ করে দিয়ে তাদের ভারতীয় বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট সীমান্তগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবি টহল জোরদার করেছে এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরাও পুশইন ঠেকাতে সজাগ দৃষ্টি রাখছে। সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

দূর্গাপুর ক্যাম্প কমান্ডার সালাম বলেন, সীমান্তের মানুষ যেন ভিডিও না করতে পারেন সে কারণে তারা সন্ধ্যার পরে লাইট বন্ধ করে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে গেছে। সম্ভবত তাদের ক্যাম্পে রাখবেন তাদের।

 

 

N.v.s.s

আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

লালমনিরহাটে ‘পুশ ইনে’ ব্যর্থ বিএসএফ, সীমান্তে আলো

সর্বশেষ : ১১:২৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মে ২০২৫

লালমনিরহাটের তিনটি উপজেলার পাঁচটি সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বুধবার ভোরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক অন্তত ৫৭ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের একটি প্রচেষ্টা রুখে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় জনতা।

দিনভর উত্তেজনার পর (২৮মে) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সীমান্ত এলাকার আলো নিভিয়ে দিয়ে পুশইনের শিকার হওয়া এসব মানুষকে ভারতীয় ক্যাম্পে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরের দিকে প্রায় একই সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে এই ৫৭ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি সদস্যদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং তাদের সাথে যোগ দেওয়া স্থানীয় গ্রামবাসীদের সম্মিলিত বাধার মুখে বিএসএফ সদস্যরা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

পুশইনের শিকার হওয়া ব্যক্তিরা দিনভর কাঁটাতারের বেড়ার ওপারে ভারতীয় অংশে খোলা আকাশের নিচে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। পরবর্তীতে, রাতের অন্ধকারে সীমান্ত এলাকার লাইট বন্ধ করে দিয়ে তাদের ভারতীয় বাহিনীর ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্ট সীমান্তগুলোতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিজিবি টহল জোরদার করেছে এবং স্থানীয় গ্রামবাসীরাও পুশইন ঠেকাতে সজাগ দৃষ্টি রাখছে। সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

দূর্গাপুর ক্যাম্প কমান্ডার সালাম বলেন, সীমান্তের মানুষ যেন ভিডিও না করতে পারেন সে কারণে তারা সন্ধ্যার পরে লাইট বন্ধ করে ভারতীয় নাগরিকদের নিয়ে গেছে। সম্ভবত তাদের ক্যাম্পে রাখবেন তাদের।

 

 

N.v.s.s