ঢাকা, বাংলাদেশ। , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
তাজা খবর
অসুস্থ হনুমান চিকিৎসা নেওয়ার জন্য নিজেই হাসপাতালে হাজির মেধার স্বাক্ষরে দেশসেরা মনিরামপুরের সুরাইয়া ও অরিত্র ব্যারিস্টার জাইমা বার কাউন্সিল পরীক্ষায় পাস করেছেন মঠবাড়িয়ায় ৩০ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, নেই জিহ্বাও ক্রিসেন্ট জুট মিল ৩০ বছরের চুক্তিতে দায়িত্ব নিল মাহবুব গ্রুপ ঈদুল আযাহাকে সামনে রেখে কামররা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ১১ মামলায় ওয়ারেন্ট থাকলেও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে মুজিবুর ক্যালিফোর্নিয়ায় ৪০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মাথার দাম ৬ কোটি ডলার ঘোষণার কথা ভাবছে ইরান, উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা মিড ডে মিলে দুর্গন্ধযুক্ত খাবার, প্রমাণও পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে

পরিত্যক্ত ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি সংস্কার

হাসান মামুন, দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
  • / ১৭৬ বার পঠিত
দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক:: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পিরোজপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাবহারের অনুপযোগী পরিত্যক্ত পুকুরটি সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড এর সচেতন নাগরিক সমাজসহ জেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেমন ‘পজেটিভ পিরোজপুর’, ‘বিডি ক্লিন’ সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলা জজের বাসার সামনের এই পুকুরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল এবং আশপাশের এলাকায় মশার বংশবিস্তার ও পরিবেশ দূষণের উৎসে পরিণত হয়েছিল। আজ স্বেচ্ছাশ্রমে পরিপূর্ণভাবে পরিষ্কার করে সেটিকে বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব স্থানে রূপান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুকুরটি পুনরুদ্ধারে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র সম্পুর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় সশরীরে উপস্থিত থেকে পরিশ্রমে অংশ নেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। তিনি কাজের ফাঁকে বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়, বরং মানুষের জন্য কাজ করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। আজ আমি একজন নাগরিক হিসেবে এখানে উপস্থিত হয়েছি। আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। পিরোজপুরের মতো সুন্দর শহরের সৌন্দর্য ও বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে এ ধরনের স্বেচ্ছাশ্রম আরও বিস্তৃত হওয়া দরকার।”এ উন্নয়ন নিয়ে নিরন্তর ইতিবাচক চিন্তা-চেতনায় থাকা প্রবাসী জেলা শহরের স্থানীয় বাসীন্দা তারিক রানা চৌধুরী, যিনি সবসময় পিরোজপুরের মানুষের কল্যাণে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর এখন এই পুকুরটি ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠেছে। এতে করে স্থানীয়রা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি শহরের পরিবেশ দূষণ ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় একাধকি বাসন্দিা জানান, সরকারী বালক উচ্চ বদ্যিালয় একটি স্বনামধন্য ও সুপ্রাচীন বদ্যিাপীঠ। বদ্যিালয় র্কতৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনরে অবহেলোর কারনে স্কুলরে পুকুর দুটি বছররে পর বছর কুচুরপিানায় র্ভতি হয়ে পরত্যিক্ত অবস্থায় রয়ছে। যা নোংরা ডোবায় পরণিত হয়ে আজ জনসাধারনরে ব্যবহাররে অনপুযোগী। ভাবতে অবাক লাগে আজ পিরোজপুরের জেলা শহররে প্রাণকন্দ্রে এই প্রাচীনতম স্কুলটির পুকুর ও ঘাট আজ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় একাধিক বাসীন্দা জানান, আগে পুকুররে সুন্দর ঘাট ছলি। তা র্দীঘ দনি যাবৎ ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছ। তখন আশে পাশে কোন প্রকার ময়লা ছিলনা, পানি স্বচ্ছ ও পরিস্কার ছিল। আমরা পুকুরে গোসল করতাম। আমাদরে সন্তানদরে পুকুরে সাতার শিখােইতাম। এখন র্কতৃপক্ষরে অবহলোর কারনে আজ ঘাট ও পুকুররে ব্যাহাল অবস্থা। এগুলি দখোর কউে নইে। জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আ: ছালাম বাতেন, মিজা জহীরুল হক ও বাজাররে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, আগে সাপ্লাই পানি ছিল না। এ পুকুটিতেই বাজারে দোকানদার ও ক্রেতা-বিক্রেতরা নামাজের সময় অজু করত। র্বতমানে পুকুরে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী। পুকুরের র্বতমান অবস্থার জন্য স্কুল র্কতৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনরে অব্যবস্থাপনা-অবহেলোকেই দায়ী করছে তারা। তারা ক্ষোপ প্রকাশ করে আরোও বলনে, এ পুকুটির সারা বছরই কচুরিপানায় র্ভতি থাকে। নাম প্রকাশ না করার র্শতে স্থানীয় কয়কেজন অভিভাবক এসময় জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আর আগরে মত নেই। এলাকাবাসীর প্রাাণরে দাবী অবহেলিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লষ্টি র্কতৃপকক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। পুকুর বা জলাশয়ে পানি বভিন্নি ধরনের পরিবেশবান্ধব গাছপালা এবং জীবজন্তুর জীবনপ্রণালীতে সহায়কের ভুমিকা পালন করে থাকে। সুপেয় পানির উৎস হিসেবে পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্রের রক্ষা ছাড়াওঅগ্নিকান্ডর সময় পানির যোগান দিতে পুকুরে-দিঘির মতো জলাশয়ের ভূমিকা গুরুত্বর্পূণ। তাছাড়া ভূর্গভে পানি ঢোকার প্রাকৃতিক পথ হলো পুকুর, দঘিসিহ বভিন্নি জলাশয়সমূহ। অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র গাজী কামরুজ্জামান সুভ্র ও তৌহিদুল ইসলাম বলনে, স্কুল র্কতৃপক্ষ জলাশয় বিনষ্ট করে পরিবেশকে হুমকি এবং চরম ঝুঁকির মধ্যে ফলে দিচ্ছে। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্নের বিষয়কে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় রেখে যেভাবেই হোক প্রকৃতগিত পুকুর, দিঘি ও জলাশয়সমূহ এবং মানুষের সৃষ্টি করা প্রাচীন ও বৈশষ্ট্যিসম্বলতি পুকুর, দিঘি ও জলাশয়সমূহ চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করতে  প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষশন করেন।
আরও পড়ুন:

সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যদের পড়ার সুযোগ দিন

বিশেষ আয়োজন

প্রবন্ধ কলাম

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে

পরিত্যক্ত ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি সংস্কার

সর্বশেষ পরিমার্জন: ০৪:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
দক্ষিণাঞ্চল প্রতিবেদক:: বিশ্ব পরিবেশ দিবসে পিরোজপুরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাবহারের অনুপযোগী পরিত্যক্ত পুকুরটি সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড এর সচেতন নাগরিক সমাজসহ জেলার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যেমন ‘পজেটিভ পিরোজপুর’, ‘বিডি ক্লিন’ সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর জেলা জজের বাসার সামনের এই পুকুরটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল এবং আশপাশের এলাকায় মশার বংশবিস্তার ও পরিবেশ দূষণের উৎসে পরিণত হয়েছিল। আজ স্বেচ্ছাশ্রমে পরিপূর্ণভাবে পরিষ্কার করে সেটিকে বাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব স্থানে রূপান্তর করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত পুকুরটি পুনরুদ্ধারে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র সম্পুর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় সশরীরে উপস্থিত থেকে পরিশ্রমে অংশ নেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কেন্দ্রীয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। তিনি কাজের ফাঁকে বলেন, “পরিবেশ রক্ষায় রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য নয়, বরং মানুষের জন্য কাজ করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। আজ আমি একজন নাগরিক হিসেবে এখানে উপস্থিত হয়েছি। আমাদের সবাইকে সম্মিলিতভাবে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। পিরোজপুরের মতো সুন্দর শহরের সৌন্দর্য ও বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে এ ধরনের স্বেচ্ছাশ্রম আরও বিস্তৃত হওয়া দরকার।”এ উন্নয়ন নিয়ে নিরন্তর ইতিবাচক চিন্তা-চেতনায় থাকা প্রবাসী জেলা শহরের স্থানীয় বাসীন্দা তারিক রানা চৌধুরী, যিনি সবসময় পিরোজপুরের মানুষের কল্যাণে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তিনি বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর এখন এই পুকুরটি ব্যবহারের উপযোগী হয়ে উঠেছে। এতে করে স্থানীয়রা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি শহরের পরিবেশ দূষণ ও মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় একাধকি বাসন্দিা জানান, সরকারী বালক উচ্চ বদ্যিালয় একটি স্বনামধন্য ও সুপ্রাচীন বদ্যিাপীঠ। বদ্যিালয় র্কতৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনরে অবহেলোর কারনে স্কুলরে পুকুর দুটি বছররে পর বছর কুচুরপিানায় র্ভতি হয়ে পরত্যিক্ত অবস্থায় রয়ছে। যা নোংরা ডোবায় পরণিত হয়ে আজ জনসাধারনরে ব্যবহাররে অনপুযোগী। ভাবতে অবাক লাগে আজ পিরোজপুরের জেলা শহররে প্রাণকন্দ্রে এই প্রাচীনতম স্কুলটির পুকুর ও ঘাট আজ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় একাধিক বাসীন্দা জানান, আগে পুকুররে সুন্দর ঘাট ছলি। তা র্দীঘ দনি যাবৎ ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছ। তখন আশে পাশে কোন প্রকার ময়লা ছিলনা, পানি স্বচ্ছ ও পরিস্কার ছিল। আমরা পুকুরে গোসল করতাম। আমাদরে সন্তানদরে পুকুরে সাতার শিখােইতাম। এখন র্কতৃপক্ষরে অবহলোর কারনে আজ ঘাট ও পুকুররে ব্যাহাল অবস্থা। এগুলি দখোর কউে নইে। জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আ: ছালাম বাতেন, মিজা জহীরুল হক ও বাজাররে একাধিক ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, আগে সাপ্লাই পানি ছিল না। এ পুকুটিতেই বাজারে দোকানদার ও ক্রেতা-বিক্রেতরা নামাজের সময় অজু করত। র্বতমানে পুকুরে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী। পুকুরের র্বতমান অবস্থার জন্য স্কুল র্কতৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনরে অব্যবস্থাপনা-অবহেলোকেই দায়ী করছে তারা। তারা ক্ষোপ প্রকাশ করে আরোও বলনে, এ পুকুটির সারা বছরই কচুরিপানায় র্ভতি থাকে। নাম প্রকাশ না করার র্শতে স্থানীয় কয়কেজন অভিভাবক এসময় জানান, বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আর আগরে মত নেই। এলাকাবাসীর প্রাাণরে দাবী অবহেলিত এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সংশ্লষ্টি র্কতৃপকক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। পুকুর বা জলাশয়ে পানি বভিন্নি ধরনের পরিবেশবান্ধব গাছপালা এবং জীবজন্তুর জীবনপ্রণালীতে সহায়কের ভুমিকা পালন করে থাকে। সুপেয় পানির উৎস হিসেবে পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্রের রক্ষা ছাড়াওঅগ্নিকান্ডর সময় পানির যোগান দিতে পুকুরে-দিঘির মতো জলাশয়ের ভূমিকা গুরুত্বর্পূণ। তাছাড়া ভূর্গভে পানি ঢোকার প্রাকৃতিক পথ হলো পুকুর, দঘিসিহ বভিন্নি জলাশয়সমূহ। অত্র বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র গাজী কামরুজ্জামান সুভ্র ও তৌহিদুল ইসলাম বলনে, স্কুল র্কতৃপক্ষ জলাশয় বিনষ্ট করে পরিবেশকে হুমকি এবং চরম ঝুঁকির মধ্যে ফলে দিচ্ছে। পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্নের বিষয়কে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় রেখে যেভাবেই হোক প্রকৃতগিত পুকুর, দিঘি ও জলাশয়সমূহ এবং মানুষের সৃষ্টি করা প্রাচীন ও বৈশষ্ট্যিসম্বলতি পুকুর, দিঘি ও জলাশয়সমূহ চিহ্নিত করে সেগুলো পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ করতে  প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষশন করেন।