, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

উলিপুরে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি মেলার উদ্বোধন

কুড়িগ্রামের উলিপুরে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চার দিনব্যাপী কৃষি মেলার শুভ উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নয়ন কুমার সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “কন্দাল জাতীয় ফসল যেমন কচু, মিষ্টি আলু, শালক ইত্যাদি পুষ্টি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং কৃষকের আর্থিক স্বনির্ভরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের মেলার মাধ্যমে কৃষকেরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন: কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম কৃষিবিদ সাইফুন্নাহার সাথি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, রাজারহাট, রেবা বেগম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, শামিমা আক্তার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, আব্দুর রহমান সরদার, আহ্বায়ক, উপজেলা কৃষকদল উলিপুর।উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ হায়দার আলী মিঞা, রাকিব হাসান, সদস্য সচিব, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মোশারফ হোসেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আফরোজা পারভীন রিপা।
মেলায় স্থানীয় কৃষকদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, কন্দাল ফসলের উন্নত জাত, বীজ সংরক্ষণ, পরিবেশবান্ধব কৃষি ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।
মেলায় মোট ১৫টি স্টল রয়েছে, যেখানে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও প্রযুক্তি তুলে ধরছেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং চলবে আগামী ২৯ জুন পর্যন্ত।
মেলার আয়োজকরা জানান, মেলায় কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ দেওয়া, প্রদর্শনী, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের নানা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে অংশগ্রহণকারী কৃষক, যুবক এবং নারীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

উলিপুরে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি মেলার উদ্বোধন

সর্বশেষ : ০৯:০৩:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
কুড়িগ্রামের উলিপুরে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চার দিনব্যাপী কৃষি মেলার শুভ উদ্বোধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নয়ন কুমার সাহা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষিবিদ মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “কন্দাল জাতীয় ফসল যেমন কচু, মিষ্টি আলু, শালক ইত্যাদি পুষ্টি, খাদ্যনিরাপত্তা এবং কৃষকের আর্থিক স্বনির্ভরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ ধরনের মেলার মাধ্যমে কৃষকেরা আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান।”
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন: কৃষিবিদ আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কুড়িগ্রাম কৃষিবিদ সাইফুন্নাহার সাথি, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, রাজারহাট, রেবা বেগম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, শামিমা আক্তার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, আব্দুর রহমান সরদার, আহ্বায়ক, উপজেলা কৃষকদল উলিপুর।উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোঃ হায়দার আলী মিঞা, রাকিব হাসান, সদস্য সচিব, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন, অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মোশারফ হোসেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আফরোজা পারভীন রিপা।
মেলায় স্থানীয় কৃষকদের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি, কন্দাল ফসলের উন্নত জাত, বীজ সংরক্ষণ, পরিবেশবান্ধব কৃষি ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য উৎপাদন সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে।
মেলায় মোট ১৫টি স্টল রয়েছে, যেখানে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও কৃষকরা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও প্রযুক্তি তুলে ধরছেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং চলবে আগামী ২৯ জুন পর্যন্ত।
মেলার আয়োজকরা জানান, মেলায় কৃষকদের সরাসরি পরামর্শ দেওয়া, প্রদর্শনী, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের নানা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে অংশগ্রহণকারী কৃষক, যুবক এবং নারীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।