, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

ডিমলায়এডিপিপ্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত অভিযোগ

নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) প্রকল্পের আওতায় নলকুব ১০টির মূল্য ২ (দুই লক্ষ) টাকা ব্যয় সংক্রান্ত একটি গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১নং পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) প্রকল্পে সভাপতি,প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমান কর্তৃক প্রকল্প সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম (নামাজি)-জানান  গত  ২২(জুন) আমার স্বাক্ষর জাল করে (ADP)প্রকল্পের টাকা নিজের নামে উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে প্রকল্প সম্পাদক নিজেই গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, তিনি কোনো টাকা উত্তোলনের বিষয়ে অবগত নন এবং তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে,।
ইউপি সদস্য মোঃ আইনুল হক বলেন,   (ADP) প্রকল্পের আওতায় আর্সেনিকমুক্ত নলকূপের প্রজেক্টের টাকা দিয়ে ১০টি নলকূপ স্থাপনের কথা রয়েছে, কিন্তু ১০টি নলকুকুর মধ্যে ৮ নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে ২টি নলকূপ এ পর্যন্ত স্থাপন করা হয়নি কিন্তু খাতা কলমে ১০টি নলকুব স্থাপন দেখানো হয়। এটি শুধু দণ্ডনীয় অপরাধ নয়, বরং সাধারণ জনগণের প্রতি এক চরম অবিচার এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আস্থার অবনমনা ঘটায়।
১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম (নামাজি)  বলেন, আমার দাবি অনতিবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে উক্ত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি যৌথ মনিটরিং টিম গঠন করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা,অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক,ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পরিষদের সকল আর্থিক লেনদেন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অডিট ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।প্রেস মিডিয়ার মাধ্যমে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
এক উপকার ভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন নলকূপ পেয়েছি, সরকারের নির্ধারিত বাজেটের চেয়ে নলকূপের মূল্য অনেক কম সরকার নির্ধারিত বাজেটের,নলকূপ পাইনি।
৫নংওয়ার্ডের উপকারভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন, আমি শুনেছি আমার নামের নলকূপ বরাদ্দ আছে কিন্তু এ পর্যন্ত আমি নলকূপ পাইনি, মোঃ আতিকুর রহমান প্যানেল চেয়ারম্যান অনেক গরিব দুঃখীর নাম দিয়ে সরকার থেকে বরাদ্দ এনে বরাদ্দকৃত মালামাল বিতরণ না করে আত্মসাৎ করেন কয়েকদিন আগে টিসিবির কার্ড টিসিবির কার্ড একটিভ করার জন্য সকলের কাছ থেকে মিছে মিছি হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের নাম করে এক ১০০ টাকা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।
২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ হায়দার আলীর ছেলে আবু সোয়াদ বলেন, আমার নামে নলকূপ জানতে পারি, কিন্তু আদৌ আমার বাসায় কোনো নলকূপ স্থাপন করা হয়নি। আদৌ হবে কিনা জানিনা, কেননা প্র্কল্পের তালিকা প্রস্তুত করে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ডিমলায়এডিপিপ্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ সংক্রান্ত অভিযোগ

সর্বশেষ : ০৩:২৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) প্রকল্পের আওতায় নলকুব ১০টির মূল্য ২ (দুই লক্ষ) টাকা ব্যয় সংক্রান্ত একটি গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
১নং পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) প্রকল্পে সভাপতি,প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ আতিকুর রহমান কর্তৃক প্রকল্প সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম (নামাজি)-জানান  গত  ২২(জুন) আমার স্বাক্ষর জাল করে (ADP)প্রকল্পের টাকা নিজের নামে উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এই বিষয়ে প্রকল্প সম্পাদক নিজেই গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, তিনি কোনো টাকা উত্তোলনের বিষয়ে অবগত নন এবং তার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে,।
ইউপি সদস্য মোঃ আইনুল হক বলেন,   (ADP) প্রকল্পের আওতায় আর্সেনিকমুক্ত নলকূপের প্রজেক্টের টাকা দিয়ে ১০টি নলকূপ স্থাপনের কথা রয়েছে, কিন্তু ১০টি নলকুকুর মধ্যে ৮ নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে ২টি নলকূপ এ পর্যন্ত স্থাপন করা হয়নি কিন্তু খাতা কলমে ১০টি নলকুব স্থাপন দেখানো হয়। এটি শুধু দণ্ডনীয় অপরাধ নয়, বরং সাধারণ জনগণের প্রতি এক চরম অবিচার এবং সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আস্থার অবনমনা ঘটায়।
১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম (নামাজি)  বলেন, আমার দাবি অনতিবিলম্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে উক্ত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি যৌথ মনিটরিং টিম গঠন করে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা,অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক,ভবিষ্যতে ইউনিয়ন পরিষদের সকল আর্থিক লেনদেন ও উন্নয়ন কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অডিট ও মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।প্রেস মিডিয়ার মাধ্যমে জেলা প্রশাসককে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।
এক উপকার ভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বলেন নলকূপ পেয়েছি, সরকারের নির্ধারিত বাজেটের চেয়ে নলকূপের মূল্য অনেক কম সরকার নির্ধারিত বাজেটের,নলকূপ পাইনি।
৫নংওয়ার্ডের উপকারভোগী আনোয়ারা বেগম বলেন, আমি শুনেছি আমার নামের নলকূপ বরাদ্দ আছে কিন্তু এ পর্যন্ত আমি নলকূপ পাইনি, মোঃ আতিকুর রহমান প্যানেল চেয়ারম্যান অনেক গরিব দুঃখীর নাম দিয়ে সরকার থেকে বরাদ্দ এনে বরাদ্দকৃত মালামাল বিতরণ না করে আত্মসাৎ করেন কয়েকদিন আগে টিসিবির কার্ড টিসিবির কার্ড একটিভ করার জন্য সকলের কাছ থেকে মিছে মিছি হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের নাম করে এক ১০০ টাকা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।
২নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ হায়দার আলীর ছেলে আবু সোয়াদ বলেন, আমার নামে নলকূপ জানতে পারি, কিন্তু আদৌ আমার বাসায় কোনো নলকূপ স্থাপন করা হয়নি। আদৌ হবে কিনা জানিনা, কেননা প্র্কল্পের তালিকা প্রস্তুত করে ইতোমধ্যে জমা দিয়েছে।