
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাস্হ রাজাহার ইউনিয়নের বড়শাও গ্রামের মৃত মহসিন আলীর ছেলে আবদুল মজিদ গং এর বিরুদ্ধে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধে আদালতের রায় উপেক্ষা করে দখলীকৃত জমিতে লাগানো গাছ বাঁশ কর্তন, সীমানা প্রাচীর ভাংচুর, মারপিট, ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ জীবন নাশের হুমকির অভিযোগ দায়ের।
থানায় দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা গেছে,
উপজেলার রাজাহার ইউনিয়নের বড়শাও গ্রামের মৃত মহসিন আলীর ছেলে আবদুল মজিদ গং এর নিকট থেকে একই গ্রামের মৃত রইচ উদ্দিনের ছেলে আলহাজ্ব ইউসুফ আলী গত ২০০২ সালে বড়শাও মৌজার ৩৪৫ দাগে ২০ শতক জমি কবলা মুলে ক্রয় করিয়া বাসা বাড়ী সহ গাছপালা লাগাইয়া ভোগ দখল করিয়া আসিতেছে। কিন্তু আবদুল মজিদ গং উক্ত জমি নিয়ে বিরোধ বিবাদে লিপ্ত হলে আদালতে মামলা মোকদ্দমা হলে ইউসুফ আলী গং রায় প্রাপ্ত হয়।
তা সত্বেও গত ১৩/৪/২৫ তারিখে ইউসুফ আলীর নির্মিত সীমানা প্রাচীর মজিদ গং জোরপূর্বক দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে, মারপিটের ভয় দেখিয়ে ভেঙে ফেলে ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধন করে।
ঘটনার দিন গত ২৭/৬/২৫ তারিখে মজিদ গং আবারও সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠি সোটা হাতে নিয় বেআইনি জনতায় অনুপ্রবেশ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ওই একই জমিতে ইউসুফ আলীর লাগানো ৫টি ফলন্ত আম গাছ, ১টি ফলন্ত কাঁঠাল গাছ, ১ টি বড় আকাশমনি গাছ ও বাঁশঝাড়ের প্রায় ৫০০টি বাঁশ কর্তন করে যার অনুমান মুল্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হইবে তা চুরি করে লইয়া যায়।
এ সময় ইউসুফ আলীর পুত্রবধূ রুজিনা আক্তার ও নাতি কাউসার বাঁধা দিলে মজিদ গংরা লাঠি ও লোহার রড দ্বারা এলোপাতাড়ি মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছেলাফোলা বেদনাদায়ক জখম করে।
এ বিষয়ে ইউসুফ আলী বাদী হয়ে আব্দুল মজিদ সহ ১১ জনকে আসামী করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় একটি এজাহার দায়ের করে। তিনি এজাহার খানা মামলা হিসাবে রেকর্ড করার দাবী জানান।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বুলবুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, এজাহার পেয়েছি তদন্ত পুর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জাফর ইকবাল,গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধিঃ 



















