, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংরক্ষণে উদ্যোগের দাবি

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা, “উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স”, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন নাগরিকরা। ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ্য টাকা ব্যয় নির্মিত কমপ্লেক্সটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাস, স্মৃতি ও সেবাকে সম্মান জানিয়ে একটি সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা।
তবে উদ্বোধনের প্রায় দুই বছর পার হলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের অভাবে ভবনটির বিভিন্ন অংশে রাতের আঁধারে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আশপাশের পরিবেশে নোংরা আবর্জনার স্তূপ এবং অভ্যন্তরীণ আসবাবপত্রের ক্ষতিও চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “এই কমপ্লেক্সটি আমাদের গৌরবের প্রতীক। এখানে আমাদের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এটি আজ অযত্নে পড়ে আছে। দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে এটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।”
এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা নয়ন কুমার সাহা জানান, “কমপ্লেক্সটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে। শিগগিরই সংস্কার কাজ শুরুর জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সকে কেন্দ্র করে একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালু করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি একটি মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠবে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সংরক্ষণে উদ্যোগের দাবি

সর্বশেষ : ১২:৫৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা, “উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স”, সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধীরে ধীরে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও সচেতন নাগরিকরা। ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট প্রায় ২ কোটি ৬০ লক্ষ্য টাকা ব্যয় নির্মিত কমপ্লেক্সটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাস, স্মৃতি ও সেবাকে সম্মান জানিয়ে একটি সাংগঠনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা।
তবে উদ্বোধনের প্রায় দুই বছর পার হলেও যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যবহারের অভাবে ভবনটির বিভিন্ন অংশে রাতের আঁধারে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। আশপাশের পরিবেশে নোংরা আবর্জনার স্তূপ এবং অভ্যন্তরীণ আসবাবপত্রের ক্ষতিও চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা বলেন, “এই কমপ্লেক্সটি আমাদের গৌরবের প্রতীক। এখানে আমাদের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এটি আজ অযত্নে পড়ে আছে। দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে এটি সম্পূর্ণরূপে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়বে।”
এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা নয়ন কুমার সাহা জানান, “কমপ্লেক্সটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা চলছে। শিগগিরই সংস্কার কাজ শুরুর জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”
স্থানীয়রা আশা করছেন, উলিপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সকে কেন্দ্র করে একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চালু করা গেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এটি একটি মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠবে।