
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের আলেপের তেপথী বাজারে ব্যানার/ পোস্টার নামানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় যুবক মাইনুল ভিডিও করে ফেসবুকে পোস্ট করলে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়। এরই জেরে শামসুল হুদা সুমন পাথাড়ি মসজিদে গেলে মাইনুল সুমনের মধ্যে তর্কাতর্কি ও ধস্তাধস্তি হয়। মাইনুল এর নেশাখোর সাঙ্গ/পাঙ্গরা সুমনকে মারধর করে জখম করে। সুমনের বাবা শাহানুর আলম ছকিনুর অভিযোগ করেন, এই সময় তার ছেলের ব্যবসায়িক আড়াই লক্ষ টাকা ছিনতাই হয়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
সুমনের পরিবার দাবি করে, পুরো ঘটনায় তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে এবং এ কারণে তাকে জেলও খাটতে হয়েছে। এর প্রতিবাদে এবং ন্যায়বিচারের দাবিতে বুধবার আলেপের তেপথী বাজারে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাইনুল এলাকায় ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ ও ‘মাদকের গডফাদার’ হিসেবে পরিচিত। তার সহযোগী জাহিদুল ইসলামসহ পুরো চক্রটি যুবসমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। বক্তারা দ্রুত তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানায়।
মানববন্ধনে সন্তোষপুর ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ সুজাউদ্দৌলা সুজা মেম্বার বলেন,
শামসুল হুদা সুমনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। আমরা এর সঠিক ও দ্রুত বিচার চাই। পাশাপাশি মাদক ও ক্যাসিনো ব্যবসা এই এলাকা থেকে চিরতরে নির্মূল করতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আমিনুর মিয়া বলেন,
মাইনুল আগে ছিলেন একজন মাঝি। হঠাৎ করে তার কাছে কোটি কোটি টাকা এলো কীভাবে? আমরা চাই এ বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। তার ক্যাসিনো ও মাদক ব্যবসায় অনেক যুবক নষ্ট হয়েছে।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগেশ্বরী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহিন শহীদ, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনজু, সাংবাদিক শফি, সাংবাদিক লেবু, আশরাফুল, সাগর, বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও কয়েক শতাধিক এলাকাবাসী।
তারা সরকারের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেন,আমরা চাই যুবসমাজ বাঁচুক, মাদক ও জুয়ার কবল থেকে মুক্ত হোক। প্রশাসনের কাছে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার দাবী জানান।

শাহীন শহীদ 



















