, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
নাগরিক শিরোনাম :
বিজ্ঞপ্তি :
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। ঢাকাস্থ অফিসে কম্পিউটার অপারেটর ও পিওন আবশ্যক। আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। হটলাইন : 09649-230220 ও মুঠোফোন : 01915-708187

ডিমলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার- ০১

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মিরাজুল ইসলাম মিরাজ (৩৫) গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত ৫ই জুলাই (শনিবার) গভীর রাতে উপজেলার খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের বন্দর খড়িবাড়ি গ্রামে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নীলফামারীর অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পের সেনাসদস্য এবং থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী এই অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মিরাজের কাছ থেকে ৯ বোতল ফেনসিডিল ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
মিরাজ বন্দর খড়িবাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল গফফারের পুত্র। তার বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি পূর্বেও মাদকসহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী, মিরাজ পূর্বে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং পরবর্তীতে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন, যার ফলে এলাকায় তিনি ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
এ বিষয়ে ডিমলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (মামলা নম্বর-০৭/২৫) দায়ের করা হয়েছে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফজলে এলাহী বলেন, “ডিমলা উপজেলাকে ‘মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত’ করার লক্ষ্যে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।” যৌথ বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, মাদকবিরোধী এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আরও খবর :
জনপ্রিয়

জলবায়ু ন্যায্যতা, কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং প্রকল্পের অবহিতকরণ সভা

ডিমলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার- ০১

সর্বশেষ : ০৬:৪৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মিরাজুল ইসলাম মিরাজ (৩৫) গ্রেপ্তার হয়েছেন। গত ৫ই জুলাই (শনিবার) গভীর রাতে উপজেলার খগাখরিবাড়ি ইউনিয়নের বন্দর খড়িবাড়ি গ্রামে তার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নীলফামারীর অস্থায়ী সেনা ক্যাম্পের সেনাসদস্য এবং থানা পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী এই অভিযান চালায়। অভিযানের সময় মিরাজের কাছ থেকে ৯ বোতল ফেনসিডিল ও ১০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
মিরাজ বন্দর খড়িবাড়ি এলাকার মৃত আব্দুল গফফারের পুত্র। তার বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি পূর্বেও মাদকসহ একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন। বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী, মিরাজ পূর্বে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং পরবর্তীতে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন, যার ফলে এলাকায় তিনি ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
এ বিষয়ে ডিমলা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা (মামলা নম্বর-০৭/২৫) দায়ের করা হয়েছে।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফজলে এলাহী বলেন, “ডিমলা উপজেলাকে ‘মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত’ করার লক্ষ্যে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।” যৌথ বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, মাদকবিরোধী এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।